এভাবেও ফিরে আসা যায়

রক্তিম ঘোষ
-হ্যাঁ , বলুন কী সমস্যা আপনার?
-আসলে ডাক্তারবাবু কী হয়েছে বলুন তো - আগে যে মানুষ ১০ টা রুটি না খেয়ে উঠত না তাঁর এখন খিদেই পাচ্ছেনা। কী করি বলুন তো?
-বয়সটার দিকেও নজর রাখুন মশাই- ৬০ তো ছুইছুই। এসব তো এখন হবেই, হচ্ছে যে - এটাই তো আপানার জন্য ভাল।
-বলেন কি? আচ্ছা। আপনি যখন বলছেন - বলছি একটা টনিক লিখে দিলে হয়না? যদি খিদেটিদে পায়? হে হে।

প্রেসক্রিপশনে খসখস করে একটা ভিটামিন টনিক লিখে দিলেন ডাঃ অনিকেত মজুমদার। এরকম রোগী দিনে একটা দুটো থাকবেই- রোগটা শরীরে নয়। আছে মনে এদের। তবে কী আর করা - মনে করছেন ওষুধ খেলে ভাল থাকবেন - দেওয়াই ভাল। মানসিক শান্তিতে থাকুক অন্তত।
-আচ্ছা। কেমন থাকছেন এসে জানাবেন। ঠিক আছে?
-আসছি তাহলে ডাক্তারবাবু।
'এই পরের পেসেন্টকে পাঠাও' - একটু বিরক্ত সহকারেই বলে উঠলেন ডাক্তারবাবু।
"স্যার, আজ আর নেই- উনিই লাস্ট ছিলেন" - কমপাউন্ডার অর্থাৎ সুধাংশু বলল।
"উফফ- বাঁচা গেল" - একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন ডাঃ অনিকেত মজুমদার।
"তবে..." একটু থমকে গিয়ে বলল সুধাংশু।
"তবে? আবার কি?" মুখের দিকে তাকিয়ে বললেন অনিকেত ।
"স্যার, একটা মেয়ে এসেছে; আপনার সাথে দেখা করতে" । - সুধাংশু বলল,
"এখন!"- ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখল অনি রাত ৮.৪৫ ।
"আসলে স্যার মেয়েটি বলছে আপনাকে চেনে- আর আমারও সেটাই মনে হয় স্যার" - বলল সুধাংশু।
"তোমার মনে হয়? - কিভাবে? তুমি কি চেনো নাকি ?" জিজ্ঞাসু ভঙ্গিতে তাকাল অনিকেত ।
"না মানে স্যার আপনার ল্যাপটপে অনেক গুলো ছবি দেখেছিলাম - ওয়ালপেপারেও তো ওই মেয়েটাই আছে" মুখ নিচু করে বলল সুধাংশু।
হঠাৎ একটা বিদ্যুৎ খেলে গেল - চমকে উঠল অনিকেত । "কে? অঙ্কিতা? এখানে? আরে ডাকো?"- চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ালো অনি।
"আসুন" সুধাংশু দরজা দিয়ে উঁকি মেরে বললো বাইরের সেই মেয়েটিকে।
"স্যার, আমি তাহলে আসলাম" - বলে বেরিয়ে গেল সুধাংশু।

"আসব ডাক্তারবাবু? কি বলব ডাঃ অনিকেত মজুমদার? না অনি? " সেই কণ্ঠস্বর - কত বছর হবে? ৬ বছর তো । কৈ এখনও ভোলেনি। আসলে কথায় বলে " FIRST CRUSH NEITHER GOT, NEVER FORGOT" .
"আর সবার জন্য ডাক্তার হতে পারি। তোর জন্য না। তোর জন্য ঐ পাগলটাই ঠিক আছে। অনি বল অনেক বেশি ভালোলাগা আছে ওর মধ্যে "- একটু থেমে বললো অনি।
"আরে বসতে বলবিনা- থাক বলতে হবেনা নিজেই বসছি"- অঙ্কিতা কথাটা বলেই চেয়ারটা টেনে বসে পড়লো।
এখনও দাড়িয়ে অনি - আসলে হঠাৎ এমন একটা ব্যাপার- ঠিক বুঝে উঠতে পারছেনা এখনও সত্যি না স্বপ্ন? এঈ স্বপ্নভঙ্গের যুগে মাঝেমধ্যে কিছুকিছু স্বপ্ন অতিথি হয়ে আসে- তাই আজও এই আকালেও স্বপ্ন দেখা থামায়নি অনি। সে এসেছে? ধাতস্থ হওয়ার জন্য একটু সময় নিলো।
ততক্ষণে অঙ্কিতা সামনে খোলা ল্যাপটপটা টেনে নিল।
"আরে এটা সেই ছবিটা না? মেলায় তুলেছিলাম? সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি তখন - তাইনা?" ওয়ালপেপারটা দেখে অঙ্কিতা বলল। তন্দ্রাটা কাটল অনির । "ওহ হ্যাঁ হ্যাঁ , এটা নিয়ে একটা ট্রলও বানিয়েছিলাম , মনে আছে?" - একটু হেসে তাকিয়ে রইল অঙ্কিতার দিকে।
"হ্যাঁ- তখন তো আবার পেজের হুজুগ উঠেছিল - কি নাকি নাম "এসো করি খাই" - ডুয়াল মিনিং এর রাজা এক্কেবারে" - ল্যাপটপটা ঘাটতে ঘাটতে বলল অঙ্কিতা। "চলছে এখনও?- নাকি প্রফেসনাল ডাক্তারির চাপে আজ লেখক অনি হারিয়ে গেছে?" অনির চোখের দিকে তাকিয়ে বলল।
'গরগরিয়ে চলছে, ৪.৫ লক্ষ ফলোয়ার। হুহ- সবসময় তাই না? " একটু রেগেই যেন বলল অনি- "সবাই তো আর অনেকের মত খালি একটা ইমজি দিয়ে কাজ চালায় না- লোকে "অনামিক"কে ভালোবাসে বুঝলি - না সরি তুই বুঝিসও না আর বুঝবিও না?"
একটা অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকাল অঙ্কিতা। এটার জন্যই তো বলা - যাতে এমন একটা দৃষ্টিনিপাত হয়; অন্তত এইক্ষেত্রে সফল অনি । কিছু সময় নীরবতা- ল্যাপটপ ঘাঁটছে অঙ্কিতা -"আমার ছবির একটা ফোল্ডারও আছে দেখছি।"
- "বলছি আসার হেতু কি এবার বলা যায়?" - অনি জিজ্ঞেস করলো সে কথায় কান না দিয়ে বলল।
- "কেন কারন ছাড়া বুঝি আসতে পারিনা?"
- 'সেটা নয়- আসলে আসতে তো অনেকবারই বলেছিলাম এসেছিলিস কি?"
- "তো, তুই কি এখানে ছিলিস? গেছিলিস কোথায় যেন- বড় ডাক্তার হতে..."
- "বাদ দে- এসেছিস কেন? আর ঠিকানা কে দিলো?
- 'ঠিকানা বের করা আর কি কঠিন- সেদিন শুভ্রর সাথে দেখা হল- ঐ বলল তুই নাকি ফিরে এসেছিস । আসার কারণ - আমার বিয়ে; ইনভাইট করতে এসেছি" - স্পষ্টভাবে জবাব দিলঅঙ্কিতা।
- "বিয়ে? কার সাথে? মানে হঠাৎ?" অনেকগুলো প্রশ্ন যেন একসাথে করতে গিয়ে কথা জড়িয়ে গেলো অনির ।
- "হঠাৎ মানে? বয়স হচ্ছে না নাকি? অদ্ভুত প্রশ্ন।"
- "আচ্ছা, তা কার সাথে বিয়ে ? বিরাট কোহলি? না দুর্নিবার? " হাসির ছলেই প্রশ্ন করলো অনি।
-" আমি কি মজা করছি বলে মনে হয়?" -রাগের স্বরে একটা ধমক।
একটা জিনিস ভেবে ভালো লাগল আজ অনির সব কিছুই তো পালটেছে রাজ্যের রঙ লাল থেকে সবুজ , নতুন নোট , বেড়ে চলা ব্যস্ততা , আগে ২ টাকায় ৫ টা থেকে এখন ১০ টাকায় ৩ টে ফুচকা- তবুও অঙ্কিতার এই ডোমিনেটিং চরিত্রটা গেলনা? ভালো লাগে এটাও বেশ । সত্যি বলতে খারাপ কি লাগে সেটাই খুঁজে বার করতে হবে একদিন।
" না মানে, সত্যি বিয়ে?" একটু আমতা আমতা করে জিজ্ঞেস করলো অনি।
" তো মিথ্যে বিয়ে হয় বুঝি আবার" বলল অঙ্কিতা " এই যে কার্ডটা। আসিস কিন্তু আর হ্যাঁ বিয়েটা রাজেশ আগরওয়ালের সাথে" - টেবিলের উপর কার্ডটা রাখল অঙ্কিতা। কার্ডটা তুলে নিল অনি। বেশ ভালো করেইছে কার্ডটা- নামটাও দেখল অনি। "অনামিক" । এই নামেই লেখে অনি। দেখে একটু হাসল।
কিছু সময় কার্ডের দিকে তাকিয়ে থেকে- "আচ্ছা আসব- বলছি এতক্ষণ বসে আছিস কিছু খাবি তো? - এই সুধাংশু...।"' ডাকতে যাবে অনি- অঙ্কিতা বলে উঠলো "না থাক- তার চেয়ে বরং ওই পাড়ার মোড়ে ফুচকা বসেছে ওটাই খাওয়া" বলে উঠে পড়ল অঙ্কিতাও ।
না এখনও অনেক কিছু পালটায় নি। আসলে মানুষের বয়স বাড়ে, কিন্তু স্পৃহাটার কোন পরিবরতন হয়না - সেই স্কুল লাইফেও যেমন ভাবে খেত আজ ও তেমন- ফুচকা খাওয়ার সময় অঙ্কিতার দিকে তাকিয়ে কথা গুলো নিজের মনে মনে বলে চলল অনি। দাম চুকিয়ে অনি বলল- "রাত ১০ টার সময় ফুচকা খেলি?একটা অ্যানটাসিড খেয়ে নে"।
" ডাক্তারি এখানে ফলানোর দরকার নেই - প্রানায়াম করি জানিস না? ওসব হজমের প্রব্লেম নেই আমার"- অঙ্কিতা বলল।
-"গাড়িটা নিয়ে আসি তাহলে? পৌঁছে দি- রাত তো কম হলনা"
- "গাড়ি কিনেছিস? কি রঙ?"
- "কালো'
- " না থাক - আচ্ছা LETS GO FOR A WALK"
-"এখন?'
-" কি এখন? রাত ১০ টা মাত্র - আগে তো এর জন্য বসে থাকতিস - না তুই পালটে গেছিস- বুঝলি?"
-"আচ্ছা কতোদূর হাটতে হবে বল? আমি তো চেয়েছিলাম সারাজীবন হাঁটতে- তা না কীসব মাড়ওয়ারি বিয়ে করবে- জানিস ওরা বৌদের সাথে কীভাবে ব্যবহার করে?"
-" এখন এইসব বলার মানে কি? অদ্ভুত? হাতে কি ওটা?" অনির হাতের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ জিজ্ঞেস করলো অঙ্কিতা ।
-" কোথায়? ওহ আরে দেখেছিস- বিয়ের কার্ড টা তখন দেখছিলাম হাতে করেই নিয়ে চলে এসেছি । "
-" ভালো করেছিস"-
কিছুদূর হাঁটার পর হঠাৎ সামনে কোলকাতা বইমেলার একটা বড়ো ফ্লেক্স দেখে জিজ্ঞেস করলো- "এই এবার তোর যেন একটা কি লেখা বেড়িয়েছে না "লেখা" প্রকাশনী থেকে ? কি যেন নামটা? ওহ হ্যাঁ- " এভাবেও ফিরে আসা যায়"। তবে একটা কথা ছিল লেখাটা নিয়ে? "
- " পড়েছিস? না মানে তোকে জোর করেই তো লেখা পাঠাতাম- তা মানুষে ভালো বা খারাপ কিছু তো একটা বলে? কোনদিন স্বেচ্ছায় বলেছিস? সেই আমি জিজ্ঞেস করবো তারপর বলবি । তাও কি বলবি "বাহ ভালো"- ঐ জন্য মাঝেমধ্যে মনে হয় আর পাঠাবই না"
-"তো পাঠাস কেন? এমনিও আমার পড়তে ভালো লাগে না ঐসব- তাছাড়া তুই ভালো লিখিসই না"
-" আসলে একটা সমস্যা হল- তোর যাকে ভালো লাগবে তার সবকিছুই ভালো লাগবে কিন্তু যার লাগবেনা তার কোনকিছুই ভালো লাগবেনা । আর পাঠাই কেন? যার জন্য লিখি তাকে পাঠানোটা দায় বলে । আর ভালো না লিখলেও বই বেরনোর পর প্রায় ২-৩ মাস অনলাইন স্টোর গুলোতে বেস্ট সেলিং এ থাকে- খবর নিয়ে দেখিস "
- 'বুঝলাম- যেটা বলছিলাম শোন - এই গল্পটা কিন্তু পুরো ভোগাস - এরকম আবার হয় নাকি?'
-" হতেই পারে - আমার জীবনে হয়না বলে কি কারোর জীবনে হবে না? অনেকে আজ এই আকালের মাঝেই স্বপ্ন দেখতে চায় - তাদের জন্যই লেখাটা ।"
-" অনামিক যে তুই - কজন জানে?"
-" তেমন বেশি কেউ না? কয়েকজন বন্ধুবান্ধব , আর সুধাংশু - আরেকজন তুই"
-" নামটাও বাজে - কত্ত ভালো নাম ছিল তো '
-"হ্যাঁ জানি, জানি রাজেশ নামটা দিলেই ভালো হত"
-"শাট আপ - ভালো কথাই মনে করালি - একটা কল করি রাজেশ কে"
অঙ্কিতা একটু দূরে দাড়িয়ে ফোনে কথা বলতে শুরু করলো। ইচ্ছে করেই একটু দূরে দাঁড়ালো অনি। এইসব কথা না শোনাই ভালো।
হুস করে একটা ট্রাক বেরিয়ে গেল- শুনশান রাস্তা -এমনিতেই শীতের রাত তারপর হাঁটতে হাঁটতে অনেকটাই দূরে চলে এসেছে ওরা। না এবার ফেরা দরকার। আচ্ছা সত্যিই তো গল্পের অনির মতই তো হতেই পারত বাস্তবের অনির - যেমন টা হয়েছিল "এভাবেও ফিরে আসা যায়" এ। এসব গল্পেই হয়- বাস্তবটা অনেক বেশি রুক্ষ। ভাবনায় বিভোর হয়েছিল অনি - রেশটা কাটল অঙ্কিতার ডাকে।
" রাজেশ বলছে কাল বইমেলা যাবে- ভাবছি যাব?"
-"তো যা- আমিও এমন অনেকবার যাওয়ার জন্য বলেছিলাম- যদিও সফল হয়নি ; আরে কি হতই বা গেলে" - একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে অনি বলল।
-"তুই আর রাজেশ এক হলি?"
-"অবশ্যই না- লিখে দেখাক তোর জন্য একটা কবিতা - করে দেখাক তোর একটা পোট্রেট তারপর তো তুলনা?"
-" আচ্ছা তোর সাথে যাব কাল। "
-" থাক দয়া দাক্ষিন্য আগে নিতাম- এখন দিয়েই থাকি'
-" আগে তো মেয়েদের সাথে কথা বলতেই লজ্জা পেতিস - আর এখন বাবাহ- সবই ফিমেল ফ্যানদের জন্য বুঝি? "
-" সময় পালটায় - তাই না-তাছাড়া অনামিক যে আমি তা সেটা তারা জানেনা - তারা লেখক অনির লেখার ফ্যান- সাধারন এক ডাক্তার অনিকেতের নয় - বলছি রাত অনেকটা হল এবার ফেরা যাক"
-" হম, মনে হচ্ছে আমাকেও আজ একটা ওষুধ খেতেই হবে- রামদেব জায়গায় আজ অনামিকই জিতল মনে হয়"
কথার কোন উত্তর দিল না অনি। হাঁটতে হাঁটতে ফিরে আসল সেই পাড়ার মোড়ে।
" আচ্ছা গল্প কি শুধুই গল্প - বাস্তব হয়না?" - অঙ্কিতা হঠাৎ জিজ্ঞেস করলো।
" না হয়না- সেটাই ভাবছিলাম তখন- আসলে গল্পকথক তাঁর ভাবনাটা লেখে - ভাবনাটা তো আর সত্যি হয়না - আরে আমাকেই দেখনা"
" গল্পেরাও কিন্তু বাস্তব হয়- সাহস থাকলে "
অনি একটুসময় চুপ করে রইল - " আচ্ছা আমি গাড়িটা নিয়ে আসি'
" বলছি একবারটি কার্ডটা খুলে দেখলে হতনা? মানে কোথায় কখন আসবি কিভাবে আসবি? যদি কোন কনফিউশন...।"
" রাজেশের নাম দেখানোর এত শখ- আচ্ছা বলছিস যখন দেখছি'
কার্ডটা খুলে দেখতে যাবে এমন সময় একটা অদ্ভুত বিষয়- " আরে এটা কি? কার্ডে নাম দাম কোথায়? আরে দেখ এই কার্ডে প্রিন্ট হয়নি বোধহয়?"
-" এই কার্ড নয়- কোন কার্ডেই কিছু প্রিন্ট করা হয়নি" হাসতে হাসতে বলল অঙ্কিতা।
" মানে- কি ধরনের রসিকতা এটা?"
-" আসলে কালই তোর নতুন বেরোনো লেখাটা পড়ছিলাম - তখনই আইডিয়া আসল- তাছাড়া স্কুল কলেজে প্রচুর নাটকও তো করেছি- সেটাকেই কাজে লাগালাম- চমকে দেইনি বল?"
ব্যাপারটা এতক্ষণে বোধগম্য হল - " এভাবেও ফিরে আসা যায়" গল্পটাতে ঠিক একইরকম ব্যাপার ঘটেছিল। তবে এমন কিছু এক্সপেক্ট করেনি - তাহলে গল্পও বাস্তব হয় মাঝেমধ্যে।
" না মানে - আমি ঠিক ... তুই তো আমায় না করেছিলিস?"
" হম, তখন এইসব নিয়ে সিরিয়াস ছিলাম না- তাই ...।"
"আচ্ছা তাহলে গাড়িটা নিয়ে আসি - রাত অনেক হল "
" হম, কাল বিকেলে বাড়ির সামনে আসিস- বইমেলা যাব ওকে?"
" হম ওকে"
মৃদুহাসি মুখে এগিয়ে গেলো গাড়িটার দিকে - না গল্পও বাস্তব হয় তাঁর মানে - সবসময় " FIRST CRUSH , NEITHER GOT , NEVER FORGOT" হয়না।
মাঝেমধ্যে " FIRST CRUSH SOMETIMES GOT, NEVER FORGOT'ও হয়।

আপনার মতামত জানান