সুদেষ্ণা মৈত্রের তিনটি কবিতা

সুদেষ্ণা মৈত্র
রক্ষিতা
আমি তো বেশ দিব্যি দিয়ে গাছ হয়েছি ফুল ঝরাব
তোমার জলের ঋণ মেটাতে এমনটাতো হতেই হতো
রাত দুপুরে এঁটোর পাতে অবশিষ্ট জমার কারণ
পোষ্য সেবী দাঁড়িয়ে থাকে পাহাড়াদারি রুজির মতো
ঢোক গিলেছি ঠোঁট খুঁজিনা
এসব বন্ধ ঘরের কথা
আমার আদেশ চারার থেকে মহীরুহ ছড়িয়ে পড়ার
তোমার গায়ে তোমার পিঠে
কারণ তুমি সবটা জানো
দূর্বলতা আসার আগে আমার কোনো দেশ ছিলনা।



সেলিব্রিটি

চরিত্ররা পাহাড় ভাঙে ভাঙতে শেখায়
ভাঙতে ভাঙতে খরস্রোতে জল নেমে যায়
সাঁতার জানো?ও ক্যামেরা সাঁতার জানো?
দেখবে কেমন দাগ থেকে যায় মাছের গায়ে
মাছের পিঠে আর পাখনায়
যাদের ঘষে সাদা-পোশাক ভাসতে থাকে
ভাসতে ভাসতে তীর খুঁজে পায় ভিড় খুঁজে পায়
তারাই তখন পাহাড় দেখার গল্প শোনায়…

প্রেমপত্র
আমাকে দেখতে দেবে লুকনো সে নোনাজল-খাতা?
সেসব নদীর কথা স্বর্গীয়-
এখনো শুনিনি
কেউতো অন্ধ করা বৃষ্টিও মাখিয়ে দিলোনা…
তবু যে ইচ্ছে স্রোতে একবার কচি ঢেউ এসে
আজন্ম শীৎকার মুহূর্তে চিহ্ন দিয়ে যাক
ও পলাশ দা-ও আমার বখাটে কিশোরপানা মুখ
তোমার রোমশ বুকে ‘মধুরিমা দি’র নাম কেটে দিতে পারি?

আপনার মতামত জানান