ট্রেনের গল্প

অভীক দত্ত
লোকটা উঠল পুরনো দিল্লি থেকে।
আমার সঙ্গে একটা পরিবার আসছিল হাওড়া থেকে। গোটা রাস্তাটায় প্রচুর খাওয়া দাওয়া করল, হইচই করল। দিল্লিতে নেমে গেল।
প্রথমটা গম্ভীর হয়ে থাকতেও সে পরিবারের ভদ্রলোকের সঙ্গে ভালই আলাপ জমে উঠেছিল। ওঁরা নেমে গেলে যখন দেখলাম দিল্লি থেকে কেউ উঠছে না খানিকটা মনমরা হয়েছিলাম।
ট্রেন বেশ খানিকক্ষণ পুরনো দিল্লিতে দাঁড়ায়। গোটা সময় ধরে কামরায় অনেকে উঠল অনেকে নামল। আমার আশে পাশে কেউ এল না।
এলেন ট্রেন চলতে শুরু করার পরে। আমার লোয়ার বার্থ ছিল। বেশ খানিকক্ষণ এদিক ওদিক ঘুরে আমার বার্থের কাছে এসে সন্দিগ্ধ চোখে যখন সিট নাম্বার দেখে খানিকক্ষণ বিড়বিড় করে “থার্টি ফাইভ থার্টি ফাইভ” বলে আমার সামনে বসে পড়লেন।
ট্রেন একটু একটু করে গতি নিচ্ছে। বাল্বের আলোয় দেখলাম লোকটার কাঁচা পাকা দাড়ি, মাঝারি উচ্চতা, হাতে শুধু একটা ব্যাগ।
জুতো খুলে পা তুলে সিটে বসে ভদ্রলোক বললেন “এবার প্যাসেঞ্জার ট্রেন হয়ে যাবে”।
বুঝলাম বাঙালি। শুধু বাঙালি নয়, বদমেজাজি বাঙালি।
আমি ওল্ড দিল্লি আসার আগেই ডিনার সেরে নিয়েছিলাম। আধশোয়া হয়ে শুলাম।
ভদ্রলোক বেশ খানিকক্ষণ পা নাচালেন। তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বললেন “জারা সামান পর নজর রাখনা, মে বাথরুম হোকর আতা হু”।
বলে ধড়মড় করে বাথরুমের দিকে ধাবিত হলেন।
খানিকক্ষণ খাবার গুণেই হোক, আমার চোখ বুজে আসছিল। আমি ঠ্যাঙের ওপর ঠ্যাং তুলে জানলার বাইরে তাকালাম। কালো হয়ে এসেছে আবার। কিছুই দেখা যাচ্ছে না। আশে পাশের লোকজনের কথা শোনা যাচ্ছে। কেউ একজন বেশ জোরে কিশোর কুমারের গান চালিয়েছে। আমি দেখেছি ট্রেন জার্নি চব্বিশ ঘন্টার বেশি হয়ে গেলে মনের মধ্যে একটা বৈরাগ্য ভাব জন্মায়। পৌঁছলেও হয়, না পৌঁছলেও হয় এমন একটা ব্যাপার। জল নিয়েছিলাম গাজিয়াবাদ স্টেশনে। উঠে খানিকটা জল খেয়ে আবার শুলাম।
ভদ্রলোক মিনিট দশেক বাদে এলেন।
সিটে বসে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন “টিটি লোগো কা আজ দিওয়ালী হ্যায়, চার সিট খালি যা রহে হ্যায়। দেখনা অভি আয়েগা চার হারামখোরোকো লে কর”।
আমি বললাম “আপনি বাঙালি?”
ভদ্রলোক বললেন “অ। আপনি বাঙালি”।
আমার জটায়ু আর ফেলুদার প্রথম দেখা হবার কথা মনে পড়ল।
বললাম “হ্যাঁ”।
ভদ্রলোক বললেন “কোথায় বাড়ি?”
আমি বললাম “বেহালা”।
ভদ্রলোক বললেন “অ। আমার নর্থ। তবে গৃহত্যাগী বহুদিন”।
আমি বললাম “কেন?”
ভদ্রলোক জানলা দিয়ে বাইরের দিকে তাকালেন “সে অনেক কেচ্ছা। আপনার শুনে কাজ নেই”।
আমি বুঝলাম অনধিকার চর্চা হয়ে যাচ্ছে।
তা ছাড়া ট্রেনের দুলুনিতে একটু ঘুম ঘুমও পাচ্ছিল।
বেশি চাপ না নিয়ে চোখ বন্ধ করলাম।
ঘুম চলে এসেছিল।
হঠাৎ দেখি কেউ একজন আমাকে ঠেলছে। তড়িঘড়ি চোখ খুলে দেখি সামনের ভদ্রলোক।
আমি হকচকিয়ে উঠে বসলাম “কী হ্ল?”
ভদ্রলোক বললেন “ঘুমিয়ে পড়েছেন?”
আমি বললাম “কেন বলুন তো?”
ভদ্রলোক বললেন “চা খাবেন?”
আমি বললাম “আমি চা খাই না। কেন বলুন তো?”
ভদ্রলোক বললেন “তখন বললাম না গৃহত্যাগী! কারণটা বলতাম”।
আমার বিরক্ত লাগছিল। কারও গৃহত্যাগের কারণ শুনতে যে মাঝরাতের ঘুম মাটি হবে সেটা আগে জানলে কে আর তখন জানতে চাইত। তবু ভদ্রলোককে বিচলিত মনে হচ্ছিল।
উঠে বসলাম। বললাম “বলুন”।
ভদ্রলোক চারদিকে তাকিয়ে বললেন “টিটি এখনও কাউকে নিয়ে আসে নি। এটা একটা ভাল দিক কী বলেন?”
আমি বললাম “তা বটে”।
ভদ্রলোক কাঁচ নামিয়ে দিলেন। বললেন “এটা অনেকটা কনফেশনের মত ব্যাপার কিন্তু। এখানেই ঘটবে, আপনি এখানেই শুনবেন, কাল আপনি একদিকে আমি একদিকে। কাউকে বলতে পারবেন না কিন্তু। যদিও আপনাকে দেখে ভরসা করা যায় মনে হচ্ছে”।
আমি ঘড়ির দিকে তাকালাম। সাড়ে এগারোটা বাজে। আশে পাশের লোকেরা সব ঘুমিয়ে পড়েছে। কিশোর কুমারের গান আর বাজছে না। তার পরিবর্তে নাক ডাকার শব্দ পাওয়া যাচ্ছে।
বললাম “বলুন”।
ভদ্রলোক একটা ফ্লাস্ক আর একটা কাগজের গ্লাস বের করলেন ব্যাগ থেকে। গ্লাসটা কানায় কানায় ভর্তি করলেন চা দিয়ে। তারপর চায়ে চুমুক দিয়ে বললেন “বউ। চা দিয়ে দিয়েছে। খুব যত্ন করে”।
আমি বললাম “বাহ। এতো সত্যি ভাল ব্যাপার”।
ভদ্রলোক বললেন “ভাল ব্যাপার মানে? খুবই ভাল ব্যাপার। বাড়ি ছাড়ার সময় আমার পকেটে দেড়শো টাকা ছিল। এখন দিল্লিতে ট্রান্সপোর্টের ব্যবসা। নেই নেই করেও খান বিশেক গাড়ি খাটছে। লক্ষীমন্ত বউ বললেও কম বলা হয়”।
আমি বললাম “কুড়িটা গাড়ির মালিক সস্তার ট্রেন চড়ছেন কেন?”
ভদ্রলোক হাসলেন “সেটাও আমার বউয়ের জন্য”।
আমি বললাম “কী রকম?”
ভদ্রলোক বললেন “ওর ধারণা এসিতে যারা যাতায়াত করে তাদের সঙ্গে বাইরের পৃথিবীর কোন যোগাযোগ নেই। সবাইকে না দেখতে পেলে কোন লাভ নেই”।
আমি বললাম “বাহ। তা তো ঠিকই বলেন”।
ভদ্রলোক বললেন “তা তো বলবেই। বললাম না পয়মন্ত। যা বলে সব ঠিক”।
আমি বললাম “বাড়ি ছেড়েছিলেন বউয়ের জন্য? মানে বাড়ি থেকে মেনে টেনে নেয় নি, এরকম কিছু?”
ভদ্রলোক আনমনা হয়ে জানলার বাইরে তাকালেন।
কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থেকে বললেন “অনেকটা সেরকমই। বলি তবে ঘটনাটা”।
আমি নড়ে চড়ে বসলাম “বলুন”।
ভদ্রলোক বললেন “এম এ পাশ করে বেকার হয়ে বসেছিলাম বছর তিনেক। কোথাও কোন কাজ পাই না। শেষ মেশ এক ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে কাজ পেলাম। কাজ বলতে সারাদিন দাঁড়িয়ে থেকে লোককে সাহায্য করা। দু মাস করলাম। পা ধরে যেত দিনের শেষে। বুঝলাম এ কাজ আমার না। একদিন মাইনে পত্র নিয়ে যাওয়া বন্ধ করে দিলাম। অফিস থেকে ফোন আসলে বলে দিতাম অনেক ভাল মাইনের চাকরি পেয়ে গেছি আর যাব না”।
আমি বললাম “তখন আপনার বিয়ে হয়ে গেছে?”
ভদ্রলোক একটু বিরক্ত মুখে বললেন “শুনুন আগে পুরোটা”।
আমি বললাম “বেশ বেশ। বলুন। তারপর?”
ট্রেন একটা স্টেশনে দাঁড়াল। ভদ্রলোক চোখ ছোট ছোট করে বাইরের দিকে তাকিয়ে বললেন “এই নিন, লোকাল ট্রেন হয়ে গেল”।
আমি বললাম “একদিকে ভালই। একটানা চললে মাঝরাতে কালকা নিয়ে ফেলত। সে আরেক ঝামেলা”।
ভদ্রলোকের চা শেষ হয়ে গেছিল। ফ্লাস্ক থেকে আরও বেশ খানিকটা চা গ্লাসে ঢেলে বললেন “আগের চাকরির কলিগদের তো বড় বড় ডায়লগ মেরে দিয়েছি, আদতে তো ঢু ঢু। শরিকি বাড়ি, নর্থ ক্যালকাটার শরিকি বাড়ি বোঝেন? ভয়াবহ ব্যাপার। সে বাড়িতে নিচের তলায় একটা ঘর আমাদের, আর তেতলায় একটা কোণার ঘর আমাদের। বাইরে থেকে কোন লোক এলে কারও বাবার সাধ্যি নয় যুক্তি দিয়ে খুঁজে বের করবে কেন গোটা বাড়িতে আমরা দুখান পাশাপাশি ঘর পেলাম না। এখন দিল্লির ফ্ল্যাটে থেকে আমিও অবশ্য খুঁজে পাই না কেন এভাবে ভাগ হয়েছিল। যাক গে, ধান ভানতে শিবের গীত গেয়ে লাভ নেই, গল্পে আসি। সাত আটদিন ঘরে বসে থাকলাম। কোন কাজ করি না। বাপের অন্ন ধ্বংস করি। বাপের পাড়ার মোড়ে ছোট দোকান। প্রায়ই বলে দোকানে গিয়ে বসতে। আমি বসি না। শ্যাম্পু সাবানের হিসেব রাখার কথা ভাবতেই জ্বর আসত। দু পাড়া ঠেঙিয়ে আড্ডা মারতে যেতাম বন্ধুদের ঠেকে। একদিন গল্পে গল্পে জানা গেল গাড়ি চালালে নাকি হেবি টাকা। শিখে নাও ড্রাইভিং, নিজের একটা গাড়ি কোনভাবে কিনে নাও ব্যস। তেল বাদ দিয়ে বাকি টাকা পুরোটা লাভ। কোন কোন মাসে ষাট সত্তর হাজার টাকাও কোন ব্যাপার না”।
ট্রেনটা দাঁড়িয়েই ছিল। ভদ্রলোক বললেন “উফ। ট্রেনটা যে কখন ছাড়বে!”
আমি বললাম “তারপর?”
ভদ্রলোক বললেন “বাবার কাছে গিয়ে কথা পাড়লাম। বাবা প্রথমে কিছুতেই টাকা দিতে রাজী নয়। অনেক বুঝিয়ে সুঝিয়ে হাতে পায়ে ধরে আশি হাজার টাকা ম্যানেজ করা গেল। একটা সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি কিনলাম। সে এক্কেবারে লঝঝরে মাল। তাই সই। ছেড়া জালে যে মাছ ওঠে সেই আমার।
তা শেখা শুরু হল সে গাড়ি। কলকাতার রাস্তায় গাড়ি চালানো শেখা চাট্টিখানি কথা না মশাই। তার ওপর নর্থ কলকাতার রাস্তায়। দেখলাম ড্রাইভিং স্কুলে গাড়ি চালানো শিখতে প্রচুর টাকা নেয়। তার থেকে এক ড্রাইভার বন্ধুর থেকে শিখে নেওয়াই ভাল। একদিন মদ মাংস খাইয়ে দিলেই কাফি। প্রথম প্রথম ব্রেক আর অ্যাক্সিলারেটরে গুলিয়ে যেত। সে এক বিপদের দিন গেছে। বাপের দোকানেই একদিন গাড়ি ভিড়িয়ে দিচ্ছিলাম আরেকটু হলে। যাক গে, অনেক ঝঞ্ঝাটের পর শিখে ফেললাম চালানো। ভাড়াও টুকটাক করে মিলতে লাগল। কিন্তু সেই পরিশ্রম। বাঙালি হয়ে জন্মেছি, পরিশ্রমে আমাদের বড় অনীহা। একদিন ডিউটি করি তো পরের দিন করি না।
সেদিন খুব বৃষ্টি পড়ছিল। গাড়ি বের করি নি ঘর থেকে। বিকেলে মা পকোড়া ভাজছে, ভাবছি মুড়ি দিয়ে চা পকোড়া খেয়ে সন্ধ্যেবেলায় ঘুম লাগাবো এমন সময় পাশের বাড়ির এক কাকু এসে হাজির হল। সে নাকি ভারি বিপদ। তার মেয়ের এক বান্ধবী এসেছিল তাদের বাড়িতে। বৃষ্টিতে আটকে পড়েছে। এদিকে বাড়িতে বলে আসে নি। সে নাকি ভারি কনজারভেটিভ বাড়ি। দিয়ে আসতে হবে তখনই”।
আমি হাই চাপতে চাপতে বললাম “আপনি সে মেয়েকে নিয়ে ভাগিয়ে দিল্লি চলে এলেন?”
ভদ্রলোক আমার দিকে কটমট করে তাকিয়ে বললেন “বাঙালিদের এই এক দোষ। সব কিছুতে বেশি বোঝে। আপনি শুনুন চুপচাপ”।
আমি বললাম “ও। বলুন তবে”।
ভদ্রলোক ফ্লাস্কের চা এবারে আর গ্লাসে ঢাললেন না। ফ্লাস্কটার অবশিষ্ট চা সরাসরি নিজের গলায় চালান করে দিলেন।
ট্রেন এতক্ষণ পরে নড়ল।
ভদ্রলোক বললেন “বর্ষার সময় নর্থের কোন কোন জায়গা পুকুর হয়ে যায়। মেয়ে যাবে সাউথ কলকাতা। ভগবানের নাম করে গাড়ি স্টার্ট দিলাম। খানিকটা যাবার পর মেয়েটা কান্না শুরু করল। আমি ভয় টয় পেয়ে জিজ্ঞেস করলাম কী হয়েছে। যা বলল তাতে আমার আত্মারাম খাঁচাছাড়া হবার জোগাড়”।
আমি বললাম “কী বলল?”
ভদ্রলোক ট্রেনের জানলা দিয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে বললেন “মেয়েটা প্রেগন্যান্ট হয়ে গেছিল। এক কলেজেরই ছেলে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়ে সে কান্ড করে বসেছিল। পরে বেগতিক দেখে সে ছেলে দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করে। মেয়ে সকালে ভেবেছিল কোথাও একটা পালিয়ে যাবে। বাড়িতে চিঠি লিখে এসেছিল। শেয়ালদা পৌঁছে চারদিক দেখে দিশেহারা হয়ে যায়। আমাদের পাশের বাড়ির কাকুর মেয়ে সে মেয়ের বেস্ট ফ্রেন্ড। সাহস না পেয়ে সারাদিন সে মেয়ে ও বাড়ি এসে বন্ধুর কাছে বসে ছিল। বন্ধুকেও বলতে পারে নি কিছু। এখন কাকু তো অত বোঝে না। জিজ্ঞেস করতে মেয়ে ভয়ে ভয়ে বলে দিয়েছে বাড়ি ফিরতে হবে। এদিকে মেয়ে ভয়ে অস্থির বাড়ি গিয়ে কী করবে! বাবা তো তাকে জুতিয়ে মেরে ফেলবে”।
আমি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললাম “আপনি সে মেয়েকে বিয়ে করবেন বলে ঠিক করলেন?”
ভদ্রলোক এবার আর কটমট করে তাকালেন না। শুধু বললেন “হাওড়া স্টেশনে গাড়ি নিয়ে গিয়ে ওর আমার জেনারেলে টিকেট কেটে এই কালকা মেলেই উঠে বসলাম। আমার সে গাড়ি হাওড়ার পার্কিংএই পড়ে আছে বা পুলিশ টেনে ফেনে নিয়ে গেছে হয়ত”।
আমি বললাম “খালি হাতে দিল্লিতে এসে এত বড় ব্যবসা ফাঁদলেন কী করে? আর সে মেয়ের সন্তান? অ্যাবর্ট করালেন?”
ভদ্রলোক আমার দিকে গম্ভীর মুখে তাকিয়ে বললেন “চন্ডীগড়ের সব চেয়ে দামী স্কুলে পড়ে আমাদের ছেলে। ওর সঙ্গে দেখা করতেই যাচ্ছি”।
আমি বললাম “বউকে আনেন নি?”
ভদ্রলোক কয়েক সেকেন্ড জানলার দিকে তাকিয়ে বললেন “লাস্ট ইয়ার, কোলন ক্যান্সার”।
আমি হাঁ করে ওঁর দিকে তাকিয়ে বললাম “আর ফ্লাস্কের চা?”
ভদ্রলোক বললেন “ফ্লাস্কটা কিনে দিয়েছিল আমার রাস্তায় চা খাবার বদভ্যাসের জন্য। চা বানাতে পারতাম না প্রথমদিকে। এখন শিখে গেছি, যাক গে, একটু গড়িয়ে নি। চন্ডীগড় এই এসে যাবে”।
ভদ্রলোক হঠাৎ ব্যস্ত হয়ে পড়লেন।
আমি বুঝলাম ব্যস্ততার কারণটা। পুরনো কথা হঠাৎ মনে পড়ে গেলে ব্যস্ত হয়ে যাওয়া ছাড়া গতি থাকে না আর কী!

আপনার মতামত জানান