ক্ষণিক-শাশ্বত

অর্ঘ্যদীপ
হাতে সময় ছিল খুব কম।
স্বপ্নিল ব্যস্ত রাস্তা দিয়ে এক ছুটে-হঠাৎ থমকে,-
তোমার মুখ-কর্মশ্রান্ত দিনে,
মাঝে যোগাযোগ ব্যবস্থার বিচ্ছেদ।
তারপর অন্বেষণ-মুহূর্তের এক দৃশ্যের জন্য
বর্তমান অতীত হাতড়ানো বহুকালের।
অতঃপর আন্তর্জাল—
যেখানে আটকা প’ড়ে আছে এই সময়।
শুধু একটা চোখের ছবি প্রচ্ছদপট জুড়ে।
সে চোখে কতদিনের বেদনাময় সুখ
কতরাতের মৈথুন উল্লাস।
তারপরে,সংলাপ আদান-প্রদান
শূন্য মাধ্যমে কথোপকথন।
শেষে একদিন দেখা-সামান্য সময়ের জন্য।
হয়তো পরেরদিনই দুজনে চলে যাব দুই মেরুর ব্যবধানে।
সেই ক্লান্ত দিনের শেষে,রাস্তার ওপার থেকে আসছ হেঁটে,
হঠাৎ বৈশাখী, তোমার আঁচল টানল অনন্তে-- --
ঠোঁটে বিন্দু বিন্দু ঝ’রে পড়ছে ঘাম,মুক্তোর মতন।
মনে হল তৃষ্ণা মেটাই এক নিঃশ্বাসে পান করে।
সেইক্ষণেই এঁকে দিই তাতে সর্বগ্রাসী চুম্বনের এক চিরকালীন রক্তাক্ত চিহ্ন।
(কারণ) মানুষ এখন খুব ব্যস্ত, হাতে সময় বড় কম।

আপনার মতামত জানান