টুনটুনির গল্পের দেশ

যশোধরা রায়চৌধুরী
শিয়াল বললে, তবে একবার তোমরা সবাই মিলে গান ধরো তো ! দেখি কার কেমন গলার জোর ! অমনি পাঁচ হাজার শিয়াল মিলে চেঁচাতে লাগল , “হুয়া , হুয়া, হুয়া, হুয়া !”
বারো হাজার ব্যাঙ বললে , “ঘোঁত্‌ ঘোঁত্‌ ঘেঁয়াও ঘেঁয়াও !”
সাত হাজার শালিক বললে, ফড়িং সঙ্গে সঙ্গে চারিজনং
চকিত্‌ কাট কাট কাট গুরুচরণ !
দু হাজার হাঁড়িচাচা বললে, “ ঘ্যাঁচা , ঘ্যাঁচা, ঘ্যাঁচা, ঘ্যাঁচা, ঘ্যাঁচা, ঘ্যাঁচা!”
তিন হাজার কুঁক্কো বললে, “পুত পুত পুত পুত পুত পুত !”
উনিশ শো উত্‌ক্রোশ বললে, “হাঁ আঃ , হাঁ আঃ, হাঁ আঃ, অ হো হো হো হো হো !”

এই অব্দি শুনেই রুসমিলাদিদি হাই তুলে বলল, সে তুমি যাই বলো রিমি, তোমাদের এই শহরে কিন্তু কিছুই শোনা যায় না । আমাদের ওখানে যখন বরিখুন দেয় তখন একসাথে ঠিক এইরকমই আওয়াজ করে কটকটে ব্যাং, ঝিঁনঝিঁনে ঝিঁঝিঁপোকা আর নানারকম পোকামাকড় জঙ্গলের মধ্যে থেকে ডেকে ওঠে । কী ভাল লাগে, ঘরে একটা চুলা জ্বেলে, আর একটা মোটা কাঁথা গায়ে জড়িয়ে, চা-পাতের উপরে ওই ফোঁটা ফোঁটা জল ঝরার শব্দ আর নানারকমের সরুমোটা গলার চীত্‌কার শুনতে ।
বরিখুন দেওয়া মানে বৃষ্টি পড়া , আর রিমিদিদিরা থাকে তেজপুরের কাছে, একটা চা বাগানের মধ্যে, কারণ ওর বাবা আর দাদা, পাতা তোলার কাজ করে ।
রুসমিলাদিদি রিমির সঙ্গে রোজ এইসব গল্প করে, কিন্তু রিমি তো আর সত্যি করে গল্পের দেশে কোনদিন থাকেনি, কাজেই ও শুধু টুনটুনির বই পড়ে শোনায়, হ য ব র ল পড়ে শোনায়, মা সেবার সোনালি রূপকথা কিনে দিয়েছিল, সেইটা পড়েও শোনায় ।
রুসমিলা দিদির বাড়ি যে টুনটুনির গল্পের দেশে , তা অবশ্য রিমি আগেই জেনে গেছিল । কিন্তু মুশকিলটা হল, রুসমিলাদিদি বলে, ওদের দেশে পালাপোষার মত পাখি কম , সবাই সব পাখি ধরে ধরে খেয়ে ফেলে । ময়না খায়, বগলি খায় । গুলতি দিয়ে মেরে মেরে ।

বগলি ? সেটা আবার কি রে ! নামটা শুনেই হাসতে শুরু করে দেয় রিমি। আরে বগলি জানো না, সফেদ রঙের , ওড়ে, আর পুখুরির পাড়ে চুপটি করে বসে মছলি ধরে।
ও , তাই বল , বক ! হ্যাঁ, বক সাতদিন উপোশ রইল, পড়েছে তো রিমি । কিন্তু দেখে নি। তোমাদের ওখানে টুনটুনি পাখি আছে না, বল, আর চড়ুই ?
কি জানি, আমরা তো ওই নামে ডাকি না !
আচ্ছা বাঘ আছে ?
হ্যাঁ আছে, খটাস । মাঝে মাঝে গায়েঁ নেবে আসে জঙ্গল থেকে । হাতিও আসে। ইশকুল হয়েছে একটা ওই বড়, সাহেবের ছেলেরা পড়ে, ওইটার ইলিক্টিরি তারে ধাক্কা গেলে হাতি কারেন্ট লেগে মরে যায় ।
এ মা, সেটা তো খুব খারাপ রে রুসমিলা দিদি। আর বাঘ ? বাঘ মারাও তো খারাপ রে, টিভিতে দেয় ।

কিন্তু টুনটুনির বইয়ের বাঘের গল্পগুলোতে দেখেছে রিমি, শেষমেশ দুষ্টু বাঘগুল মানুষের সাথে চালাকি করতে গিয়ে মরে যায় । একটা গল্পে ছিল, বাঘের বাচ্চাদুটোকে মেরেছিল একটা মেয়ে, আর তাদের রক্ত টপ টপ করে কড়ায় পড়ছিল, আর ছ্যাঁক ছ্যাকঁ আওয়াজ হচ্ছিল, বাঘ বাইরে থেকে ভাবছিল, পিঠে ভাজার আওয়াজ হচ্ছে । এই গল্পটা কেন যেন ভালই লাগে না রিমির। মাকে বলায় মা বল্ল, আসলে জানিস রিমি, যখন এই গল্পগুলো লেখা, তখন ত গ্রামের লোকেরা বাঘকে ভয় পেত, আর তখন জঙ্গল অনেক ছিল, গ্রামের চেয়ে জঙ্গল বেশি ছিল, তাই বাঘও অনেক ছিল। সেই সময়ে মানুষকে সত্যিই বাঘের সাথে লড়াই করেই বাঁচতে হত ।
এগুলো শহরের লোকেরা লেখেনি মা ? তাহলে যে তুমি বলো, এই বইটা যিনি লিখেছেন, তিনি সুকুমার রায়ের বাবা, উপেন্দ্রকিশোর । শহরে থাকতেন ?
হ্যাঁ তিনি শহরে এসে থাকতেন, কিন্তু তাঁর মনে হয়েছিল, গ্রামের মানুষের মুখে মুখে বলা গল্পগুলো সব সুন্দর সহজ ভাষায় একজায়গায় করে লিখে রাখা দরকার, বাচ্চাদের জন্য । তাহলে বাচ্চারা, নিজেরা শহরে থেকেও, গ্রামের কথা একেবারে ভুলে যাবে না। রিমি তুই যেমন শহরে থাকিস । এত আলো এত হৈচৈ, তুই তো জানিশ-ই না গ্রাম কেমন ।
গ্রাম কেমন ?
ধর দিনের বেলা সূর্য আর রাতে চাঁদের আলো, আর হারিকেনের বা টেমির টিমটিমে আলো। এর বাইরে তো আর কিছু নেই। তারপর ধর, সন্ধে হতে না হতেই বিনবিন করে ঝাঁকে ঝাঁকে মশা হাজির হবে। তোকে ছেঁকে ধরবে ।
হ্যাঁ ঠিক বলেছ, এটা আমি জানি। ওই যে একবার পিকনিক থেকে ফিরতে রাত হল , মনে আছে আমাদের সবার মাথার উপর কালো কালো থামের মত মশা ঘুরছিল ?
আর, অনেক জলাজমি, অনেক নদী খাল বিল, অনেক তাজা মাছ, তাজা সবজি । তোমাকে দোকানে গিয়ে পুরনো , শুকনো বা পচা সবজি দাম দিয়ে খেতে হবে না। তুমি মাঠের শশা তুলে নিলে, বাড়িতে বানান একধামা মুড়ি নিয়ে, তার সাথে একটু নিজেদের গাছের নারকেলের কুচি মিশিয়ে, খেয়ে নিলে।
আমার খিদে পেয়ে গেল , মা । রুসমিলাদিদিকে বল না, মুড়ি মেখে দিতে ।




তো এই রুসমিলা দিদিই ভাল ভাল গল্প বলে ওদের গ্রামের । শুনতে মজা, ভাবতে মজা । কি চমতকার যে ভূতের গল্প বলে রুসমিলাদিদি । একদিন তো এমন হল, শুনতে শুনতে ভয়ে ঠক ঠক করে কাঁপতে শুরু করে দিয়েছে রিমি ।
সেদিন রুসমিলা দিদি বলল, ও নাকি দেখেছে, ওদের বাড়ির কাছে যে কবরীস্তান আছে, সেটার দিক থেকে একটা ছেলে উঠে এল, সেই ছেলেটার খালি গা, শুধু একটা কাল প্যান্ট পরা , আর ওর চোখের জায়গায় কেমন শুধু দুটো কালো গর্ত ।
রুসমিলাদিদি প্রথমে ওর বাবাকে ডাকল, বাবা এল, কিন্তু রুসমিলাদিদি যা দেখতে পাচ্ছিল, ওর বাবা তা দেখতে পেল না। তারপর রুসমিলাদিদির মা এল, তাকেও দেখাল ছেলেটাকে, মা-ও কিন্তু কিছুই দেখতে পেল না। কি যে মুশকিল !
তারপর মা আর বাবা যখন শুনল, ও বার বার কবরের মাটি থেকে একটা ছেলেকে উঠে আসতে দেখছে, তখন ওরা ভয় পেয়ে গেল । ওরা ওঝা ডেকে আনল । ওঝা এসে ঝাড় ফুঁক করল । আর কখনও ওই ছেলেটাকে দেখা যায় নি।
সন্ধে বেলা, চারিদিকে কেউ নেই । যদিও ঘরে একটা জোরালো ইলেকট্রিক আলো জ্বলছিল, তবু, রিমির ভয় হচ্ছিল, এখুনি যদি লোডশেডিং হয়ে যায়, অন্ধকারে ওর আরো ভয় করবে । এমনিতেই তো হাত পা কেলিয়ে আসছে টের পাচ্ছে ।
কিন্তু মাঝে মাঝে রুসমিলাদিদি ওকে খুব বিপদে ফেলে দেয় । নিজের গল্প শেষ করে বলে এবার তুমি একটা গল্প বল, তোমার কোন ঘটনা । রিমি আবার কী বলবে, টিভি আর কার্টুন ছাড়া ওর কাছে ওই তো শুধু কয়েকটা গপ্পের বই । সত্যি করে আর কবেই বা ওর গল্প দেখা হল । মায়েরা ছোটবেলার গল্প করে, বাবাও করে। এমনকি, দাদু, দিদু, ঠাম্মা, সবার কাছ থেকে অনেক গল্প শুনে এইটুকুন বুঝেছে রিমি, যে ওরা সবাই অনেক গল্প দেখেছে । তো, সেদিন রুসমিলাদিদি বলল, তোমাদের বাড়ির লোকেরা কেউ কখনো ভূত দেখেনি নাকি ? তবে যে তুমি আমাকে একটাও আসল ভূতের ঘটনা বলতে পার না ?
খুব মনে লেগে গেল রিমির। মা বাবা ফিরতেই, ও রেগেমেগে কোমরে হাত দিয়ে বলল, আচ্ছা, তোমাদের কি কোন ভূতের গল্প আছে ?
মা বাবা ওকে পাত্তাই দিল না, উলটে হেসে বল্ল, না নেই ।
ও বল্ল, আমাদের পরিবারে কি কোন লোকই সত্যি করে ভূত দেখেনি নাকি ?
বাবা হেসে বলল, না রে, সত্যি দেখিনি, কী হবে রে, আমাদের কি নম্বর কাটা গেল? তোর বুঝি প্রেস্টিজ পাংচার হয়ে গেল রিমি?
মা এবার হাসি থামিয়ে বলল, আমি কিছু বুঝছি না রিমি । কেন তুমি বার বার এমন বলছ । কতবার করে তোমাকে বলেছি, ভূত বলে কিছু হয় না। রুসমিলাকে ডেকেও মা বলে দিল, ওকে এইসব গল্প বলবি না, রাতে শুয়ে ও ভয় পাবে।
রিমির এবার সত্যি রাগ হল, তোমরা একে তো ভূতই দেখোনি, তার উপর ভূতে বিশ্বাসও করছ না । ভূত হয়, ভূত হয়, সত্যি হয় ।




সেদিন রাতে ঘুমোতে গেছে রিমি , মনে খুব দুঃখ । রুসমিলাদিদিকে একটাও ভূতের গল্প বলে কাবু করা যাচ্ছে না । শুয়ে শুয়ে এসব ভাবছে । কী করা যায় । হঠাত দেখল, ওর মশারির বাইরে একটা সাদা শাড়ি পরা কে যেন এসে দাঁড়িয়েছে । অন্য সময়ে হলে হয়ত ভূত ভেবে ভয়েই মরে যেত রিমি । কিন্তু এই বুড়ি মহিলাকে দেখে ওর একটুও ভয় হল না তো! ও দিব্য তাকিয়ে দেখল, ও মা, এ তো টুন্টুনির বইয়ের সেই পান্তাবুড়ি ।একটা দুষ্টু চোরের পান্তাভাত চুরি করা আটকাতে যাকে বেজায় সাহায্য করেছিল সেই শিঙিমাছ, বেল, গোবরের তাল, ক্ষুর – সব্বাই । পান্তাবুড়ির গায়ে ছেঁড়া সাদা শাড়ি, মুখে হাসি, ফোকলা দাঁত, মাড়িই বেশি দেখা যায়, ঠিক রিমির এখন যা অবস্থা । ওকে বল্ল, বলি অ মেয়ে, আমাদের গাঁয়ে যাবানে? অনেক মজার জিনিশ দ্যাখতে পাবা ।
রিমি উঠে বসে বল্ল , সেই গাঁয়ে ভূত আছে ? পান্তাবুড়ি বল্ল, কত চাও, চোর পাবা, ভূত পাবা, কথা বলা গাছ পাবা, রাশি রাশি বাঘ পাবা ।
রিমি বল্ল, বাঘ তো জানি । ওই যে একবার একটা বাঘ চড়াইয়ের কাছে পিঠে খেতে চেয়েছিল, আর ওই যে একবার একটা বাঘ বুদ্ধুর বাপকে ধরেছিল, আর বুদ্ধুর বাপ তাকে ইঁড়ি মিড়ি কিঁড়ি বাঁধন দেখিয়ে দিয়েছিল । আচ্ছা তোমাদের গাঁয়ে শেয়াল আছে ?
নেই আবার ! কত আছে । রাতের বেলা তারা হুক্কা হুয়া করে ডাকে। আর গাঁয়ের ভেতর যদি কোন মোচ্ছব হয় , তালে সেই খাবারের পাতা চেটে যায় । আমার বড় জামায়ের ছোট বোনের বে-তে তো একবার সে এমন ভাতের হাঁড়ির ভেতরে বাসি ভাত খেতে ঢুকনো , আর বেরতেই পারে না । রাতে সবায়ে দেকলে , একটা মস্ত তেলো হাঁড়ি মাঠের মদ্যে দিয়ে ছুইট্যে ছুইট্যে পলাইছে । ভূত ভেইব্যে সব্বায়ে ভিমরি খেলে । পরে বোঝলে, শেয়ান ।

বলতে বলতে পান্তাবুড়ির পিছনে দেখে রিমি, আর এক বুড়ি । এইবার চিনতে আর কোন কষ্ট নেই , ওটা তো উকুনে বুড়ি । উকুনে বুড়ির কথা ভাবলে কষ্ট হয় বটে রিমির, সেই যে , বুড়োকে ভাত দিতে গেলেই তার মাথা থেকে উকুন পড়ত , আর সেই যে, বককে রান্না করে দিতে দিতে একদিন মাথা ঘুরে পড়ে গেছে কড়ার মধ্যে, পড়ে মরে গেছে । কিন্তু উকুনে বুড়ি পুড়ে মরার পরে যা কান্ডটা হল ! অই জায়গাটায় যে লম্বামতন ছড়াটা আছে, পড়লে হেসে গড়াগড়ি খায় রিমি । বিশেষ করে, রাজার পিঁড়ির সঙ্গে আটকে যাওয়াটা, আর অই নদীর জল ফেনিয়ে যাওয়াটা ভাবলেই হি হি করে হাসে। ফ্যান ফ্যান করে ফেনিয়ে যেতে একবার দেখেছে রিমি , রুসমিলাদিদি সেদিন দুধ উনুনে চাপিয়ে ভুলে গেছিল, আর সব দুধটা পড়ে গেছিল রান্নাঘরের ধাপিতে । পরে অবশ্য যেটুকু দুধ ছিল তাতে অনেক জল ঢেলে আবার আগের মতন মাপে আনতে হয়েছিল রুসমিলাদিদিকে , নইলে মা ঠিক ধরে ফেলত ব্যাপারটা ।

তো রাতের বেলা একে একে সব বুড়িদের হাজির হওয়া দেখে তো রিমি অবাক । শেষে ওদের পিছন পিছন কুঁজো বুড়িও এসে হাজির, মাথাটা ঠক ঠক করে নড়ছে । নাতনীও এবার এসে হাজির হয় কিনা ভাবতে বসেছে রিমি, এমন সময় তিন বুড়ি একসাথেই বল্ল, অ নাতিন, অ নাতিন, তুই আমাদের সঙ্গে যাবি ? গেলে এখনই চল ।

রিমি বল্ল, এখন কি করে যাব বল, কালকে যে আমার ইশকুল, টেস্ট আছে । তাছাড়া আমি তো একা যাব না , রুসমিলাদিদিকে নিয়ে যাব । ওকে ডাকব ?
বলেই রুসমিলাদিদিকে ডাকতে গেল রিমি, আর দেখল, গলাটা খটখটে শুকনো । ঠোঁটটাও ঠিক ঠাক নড়ছে না । হঠাত শুনল মা বলছে, তুই আর ওকে ভূতের গল্প বলিস না রে রুসমিলা, দেখেছিস, স্বপ্নের ভেতরে কেমন ঠোঁট নাড়ছে ? নির্ঘাত আবার একটা ভূতের স্বপ্ন দেখছে । দেয়ালা করছে ।
চড়াত করে ঘুম ভেঙ্গে গেল রিমির । উঠে বসে বল্ল, মা, রুসমিলাদিদি, তোমরা দেখো নি, পান্তাবুড়ি , উকুনে বুড়ি আর কুঁজো বুড়ি এসেছিল ! আচ্ছা, মা, তুমি যে বলেছিলে, তোমার কোন দিদার বয়স নাকি একশো হবে প্রায়, আর তিনি নাকি অনেক দূরের কোন গ্রামে থাকেন। বাবাকে বলছিলে, ওখানে যাবে , বাবা বল্ল, সময়ও নেই, আর রিমির তো আর গাঁ গঞ্জ ভালো লাগবে না। ওখানে চল না মা, আমি যাব , আমার খুব মজা লাগবে।
তোমার কি করে ভাল লাগবে রিমি ? ওখানে টিভি নেই, ইলেক্ট্রিসিটি নেই, হইচই চেঁচামেচি কিচ্ছু নেই ।
কিন্তু এখানে যে ওইসব আছে বলেই ভূত দেখা যায় না, পরি দেখা যায় না, বাঘ শেয়াল কিসসু দেখা যায় না। ওখানেই যাব কিন্তু গরমের ছুটি পড়লে ! বলে , রিমি বালিশটা টিপে টুপে ভাল করে শুল ।

আপনার মতামত জানান