যা ঘটে নাই

ঈপ্সিতা হালদার


চাই অবশ্যম্ভাবী। শ্রেডেড ল্যাম্ব ড্রাই গোলপার্কে
রেস্তোরাঁয়। যেখানে বেসিনে টপটপ
জলের আওয়াজ শোনা যায়।

আমি তক্ষনি বুঝতে পারি কাদের তাত্ত্বিকতাকে
আমি ভয় পাই। আমার কথা
আরও পাতি গোদা হয়ে ওঠে
কাদের সামনে। আমি বরং নাবিকদের
কথা ভাবি
ভাবি সেই বইগুলি, যাহাদের পিতা নাই।

আমি তো চাবি হারানোর লগ্নে জন্মেছি মা
ট্যাক্সিতে অফিসে চায়ের দোকানে বিছানা থেকে
স্বপ্ন দেখে পড়ে গেছি মেঝেতে, ট্রেনের।

তখন বাইরে উজ্জ্বল চাঁদের নীচে
শোন নদীর পারে হরিণেরা আলো নিচ্ছে নিতম্বে-
যা টর্চের মতো, ঠাণ্ডা। সে তাতে ঢালে
চায়ের জলের মতো উষ্ণতা ও টি ব্যাগ গুলি তার।
ওই টি ব্যাগ গুলি মা, সে ছুঁড়ে ফেলে দিক
ওই ঘন পোড়া রঙ তার ঘাড়ে গিয়ে লাগুক
আর তার ঘাড়ে এসে দাঁত বসাক পিপাসু বাদুড়েরা।

সে অনেক রাত। রিসর্টে ফিরে
লেটুস সেদ্ধ ঠাণ্ডা আলুর সালাড দেখে
কান্না পেয়ে যায়। আর অত রাত্রে তোমার ঠোঁট
ওহ সাজানো দাঁতগুলি
সাজানো রোজমারি তেলের গন্ধ
বালিশের থেকে বালতির জল থেকে।


(অলংকরণ- নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)

আপনার মতামত জানান