প্রসঙ্গ- ঋতুপর্ণ, কেন?

অভীক দত্ত


জীবদ্দশায় যেটা হয় না, মৃত্যুর পর সেটা হাহাকারে পরিণত হয় এবং ক্রমশ বাড়তে থাকে। এটা আমাদের ধর্ম। যে ঋতুপর্ণ ঘোষকে আমরা বেঁচে থাকতে কথায় কথায় তাঁর কথা বলার ভঙ্গি নকল করে ভেঙিয়েছি, জ্ঞানে এবং অজ্ঞানে, সেই তাঁর মৃত্যুর পরে আমরা নড়ে চড়ে বসেছি। যাকে চিরকাল পুরুষ নারীর মধ্যবর্তী কিছু বলে হেয় করেছি, তাঁর মৃত্যুর পরে কোথাও যেন একটা প্রবল অপরাধবোধ আমাদের গ্রাস করেছে। এবং ঋতুপর্ণ ঘোষ চর্চার ক্ষেত্রে তাঁর চলচ্চিত্রের থেকে, জীবনদর্শনের থেকে তিনি পুরুষ কি মহিলা এই চর্চাটা অনেক বেশি করে করা হয়েছে। এখন তাঁর মৃত্যুর পর একবছরেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত। আবেগের জায়গাটাও অনেকটা কমে এসেছে। ফেসবুকে তাঁর ছবি দেওয়া ফটো কমেন্ট আবার ফিরে এসেছে, সুতরাং ধরে নেওয়া যেতে পারে আমরা আবার ঐ অপরাধবোধটা ভুলতে শুরু করে দিয়েছি। এবার প্রশ্ন হল আজকের এই পাঁচফোড়নের আলাদা পরিসরটা তৈরি করার কারণটা কি? কেন আলাদা করে এই “প্রসঙ্গ- ঋতুপর্ণ” তৈরি করা?
পাঁচফোড়নের এই পাতাটা আমরা তৈরি করলাম সমস্ত ঋতুপর্ণ ঘোষ প্রেমী দর্শকের জন্য যারা, তাদের মত করে, তারা যেমনভাবে ঋতুপর্ণকে দেখেছেন, অনুভব করেছেন, তা এখানে আমাদের জানাবেন বলে। এটা শুধুমাত্র আজকের জন্য নয়, আপনারা চাইলে সারাবছর এই পাতায় লেখা পাঠাতে পারেন, আমাদের ইমেলে adorernauka@gmail.com এ।
থাকল এই ওয়েবসাইটেই পূর্ব প্রকাশিত দুটি লেখা, কল্লোল লাহিড়ী এবং সরোজ দরবারের। বাকিরা লিখলেন আজকের দিনটি স্মরণ করে। চলুন, পড়া শুরু করা যাক।

অভীক দত্ত
৩১শে অগাস্ট, ২০১৪

আপনার মতামত জানান