অপ্রকাশিত জলপ্রপাত

সুপ্রভাত রায়


ব্যথার কারুকার্যের কাছে সুতোকে ফিতে ভেবে নিয়ে এসে মেপে যায় প্রকাশ,
দাগ নেই, মার্ক করার মতো দাগ নেই তাঁর গায়ে।
আলো ওঠে আলো নামে খবরাখবরে...
ছায়া পড়ছে না বলে হেঁটে যাওয়ারা
খড়খড়ে বালিতে শুকনো কাঠি দিয়ে অভিমান স্কেচ করে,
মনে রেখেও, পরে গিয়ে রং দিতে ভুলে যায়।
এরপর বনভূমি সৃজন হয় মার্জিনে মার্জিনে
এরপর ফসলের মার্কশিট ছুটির তারিখ পাঠায় কল্পনায়
আগে থেকে ভেবে নেওয়া হয় হাওয়া দেবে অপ্রাসঙ্গিক
তারপর হোঁচটও ঠিক চিনে নেবে বাঁক ভুলে যাওয়া রাস্তাকে।
তখন আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারছে না একাএকা বাক্য
বসেবসে স্থানীয় স্রোতের মাইনেও গুনতে পারছে না
আঁকার খাতায় পাখির থেকে বেশিবেশি ঘুড়ি লিখে যাচ্ছে দৌড়
অশান্তির ভিতর থেকে জন্ম নিচ্ছে শান্ত এক ছায়ার বীজ।
অবদমিত পুকুরে স্থানীয় সন্ধের স্নানে নামা দেখতে পর্যটকের ভিড়...
রাস্তা নিজেই ভুলে গেছে;
কাকে সে ওয়েট করতে বলেছিল সংকেত লেখা মাইলস্টোনের পাশে।
জমজমাট জীবন পেরোতে গিয়ে
অযথা উষ্ণতা কমে যাচ্ছে স্কেলে... এই দেখে--
নিরুপায় ঘটনারা কষ্টের স্মৃতির ভিতরে অন্তত পা’দুটো ঢুকিয়ে
ঘুমিয়ে থাকার আপ্রাণ ভান করে যাচ্ছে মস্তিষ্কের কাছে।
আওয়াজের গন্ধ দিয়ে কারা তবু একটা ঝুলন বানিয়েছে
গ্রহদের চাঁদা বাকি আমি একাই থাকি এই বাহানায়
ধূলোদের প্রদর্শনীতে ভিড় কম
ছবিতে ছবিতে ভরে যাওয়া দেওয়ালে
লোকাল সূর্যের ডুবে যাওয়া গ্লোবাল নাতিশীতোষ্ণ দেহ ।
আর্কাইভ থেকে লাভসাইন উড়ছে মশার মত...
এখনও কেন কামড়াচ্ছে না ?
তবু এখনও কেন কামড়াচ্ছে না অভিজ্ঞতা ?
এইসব ভাবনার সাথে জন্মের আড়ি সাইন করে
খালিখালি নিজেরনিজের খালি পায়ের তলায় জল বুলিয়ে নিচ্ছে
যাতে কমে যায়। দীর্ঘ এই গন্তব্য।
যাতে কমে যায় চেতনা থাকতে থাকতে
অবচেতনের জলের তেষ্টা...




অলংকরণ- তৌসিফ হক

আপনার মতামত জানান