(বিরহ)-ভার-চুয়াল

নাসরিন বেগম


ঘড়ির কাঁটার ঘ্রান আর আই বলে পল-অনুপল
আঙুলে ডুবিয়ে সময় খাই... আমি নৈশ কার্পে- ডিয়েম
সময় এগিয়ে চলুক কবরে... গড়িয়ে দিই একটা রোলিং বল
অপেক্ষার পাঁজর বড়োই আলগা... শুধু কলমের আর নরমের বেনিয়ম!

অবিশেষ্য বিছানার বিশেষণে রাখি গজল
গজলের নীচে মেঘ,মেঘের নীচে মেদ আর তার নীচে লাজুক নির্বাসন
এই সব ঘরের ভেন্টিলেটর হাওয়া গোনে,আর গোলে চোখের ডায়াল
অপেক্ষার অন্ত্য-অমিলে বিছানা খুঁটি,এস-এম-এস খুঁটি, রিয়াল-ভারচুয়ালের আদানপ্রদান।।

এরপর অপেক্ষা পুর্নবিরহঃ ভবঃ
অ্যাবসার্ড নাটকে অহল্যার অবতার
পাঁজর বেয়ে সমোচ্চশীল বিরহের... চোখে নামা
চোখ বেয়ে পরিচলনের ‘ফোর-ও-ক্লক’ রেন।

অবশেষে যখন চাঁদ ডোবে , ফোনের ব্যাটারী ঘোচে, অরোরা ফোটে
এক চামচ অপেক্ষা , এক চিমটে কর্পূরে
হোয়াটস্ অ্যাপে বার্তা ‘ নট সিন’ থেকে যায়।

তারও শেষে …
দুটো অধঃক্ষিপ্ত চোখ ... আঙুলের টেস্টটিউব বেয়ে
একটা লেখার জন্ম নেয়।

সেই অসমাপ্ত লেখা ... একটা না পাওয়া রাতে
দেড় বুক লাম্প হয়ে যায়।

আরেকটা ভরাট চাঁদ ... সেই তিল খোঁটা রাতে
দেড় ডজন কবিতা হয়ে যায়।

আপনার মতামত জানান