সবজেটে গ্রিন ক্যাম্পাস/কৌস্তভ ভট্টাচার্য

দ্বিতীয় পর্ব
(৩)
পিনাকল ইন্সটিটিউট অফ ম্যানেজমেন্টের নাম যে ধ্যাদ্ধ্যাড়ে কোলকাত্তাইয়া আম জনতা বিশেষ শোনেনি – তার অবশ্য কারণ আছে।
এই বি-স্কুলে যিনি অন্ধের যষ্ঠি, নির্ধনের ধন – কুরুক্ষেত্রের কৃষ্ণ, সিপিএমের অনিল বিশ্বাস - এটসেট্রা এটসেট্রা – সেই প্রফেসর ভি অরভিন্দন –নিজক্ষেত্রে প্রায় মহাপুরুষত্ব ছুঁই ছুঁই করছেন। বার্কলেতে প্রায় অর্ধেক সেঞ্চুরি কর্মরত – সি-কে-প্রহ্লাদ জাতীয় ক্ষণজন্মার ব্যক্তিগত বন্ধু – এমনকি ভারতের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক সম্মানটি ওঁনার মণিকোঠায় জ্বলজ্বল করছে।
ভদ্রলোকের গল্পটাও বেশ এইচ-আর কেস স্টাডির মতোই ইন্সপায়ারিং। তামিলনাড়ুর একটা গ্রামে হতদরিদ্র পরিবারে জন্ম। প্রায় কার্ডরাইস আর নুন খেয়েই স্কুলের গন্ডি পেরোনো। সেখান থেকে বেরিয়ে প্রায় সমস্ত পরীক্ষায় প্রথম হওয়া মার্কা একটা সুপারম্যান ইমেজ নিয়ে আন্না ইউনিভার্সিটিতে স্ট্যাটিস্টিক্সে অনার্স নিয়ে গ্র্যাজুয়েশান। মধ্যিখানে হঠাৎ চিন-ভারতের যুদ্ধে চলে যাওয়া ‘ও আমার দেশের মাটি’ জপতে জপতে। ফেরৎ এসে আমেরিকা গমন – বার্কলেতেই মাস্টার্স এবং পি-এইচ-ডি এবং প্রফেসর জীবনের সূচনা।
তো এই অরভিন্দন জীবনে এদেশের বেশ কয়েকটা বি-স্কুলে গভর্নিং কমিটিতে থেকেছেন – এবং সাকসেসফুলি জায়গাগুলোকে দাঁড়ও করিয়েছেন। কিন্তু তারই মধ্যে শেষেরটাকে দাঁড় করাবার পর একটা জবরদস্ত লেঙ্গি খেয়েছিলেন।
তারপরই ‘আম্মো দ্যাখায়ে দিমু’ বাড় খেয়ে এই পিনাকল ইন্সটিটিউটের পত্তন। চেন্নাইয়ের একটা অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া করে সূচনা – সেখান থেকে এখন – হ্যাঁ এবার বলেই ফেলা যাক – মহাবলীপুরম (যাকে মামাল্লাপুরম বলাই ভূগোলসম্মত) এবং কলপক্কমের মাঝামাঝি ৭০ একরের এলাহি ক্যাম্পাস – যার ক্যাফেটা স্কুটার কোম্পানির স্পনসর করা তো রিসেপশনটা টিভি কোম্পানি পয়সা ঢেলে নিজেকে ধন্য অনুভব করেছে।
পিনাকলের কোর্স স্ট্রাকচারটা ঠিক মানুষের মাথা দিয়ে বেরিয়েছে বলে মনে হয়না। আর যদি বেরিয়ে থাকে তা’লে যার মাথা দিয়ে বেরিয়েছে তার ভুল প্রফেশনে আসা হয়েছে বলেই বোধ হয়। ভদ্রলোকের গুয়েতনামো বে জাতীয় জায়গায় কাজ করা বিধেয় ছিলো।
এক বছরে সাতটা এন্ডটার্মস আর অজস্র মিড টার্মস – একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেলোনা বস?
যাই হোক বারো মাস কে সাত দিয়ে ভাগ করলে সহজ হিসেবে টার্ম পিছু পড়ে থাকে দু’মাসের সামান্য কম সময়। তো এর মধ্যে সেকেন্ড টার্মটা সবচেয়ে আরামের – বেশি না – ন’খানা পেপার থাকে। আর পেপারগুলো বেশ আনইম্পর্ট্যান্টই বলা যায় – ম্যাক্রোইকোনমিক্স, ম্যানেজারিয়াল অ্যাকাউন্টিং, বেসিক অপারেশানস ম্যানেজমেন্ট, বেসিক মার্কেটিং সেকেন্ড পেপার ইত্যাদি।
তো ছোটো চাপটা হচ্ছে গিয়ে ম্যানেজমেন্ট পড়তে গেলে এই পেপারগুলো আর কিছুই নয় – কম্পালসারি।
অরভিন্দন – বছরে চার মাস মতো একটানা এদেশে থাকেন–কারণটা একটু সিরিয়াসনেস ঘেঁষা। ভদ্রলোকের শরীরে বিভিন্ন শারীরিক গোলযোগের কারণে একটা লোহার খাঁচা জাতীয় বসানো আছে। তো সেই বস্তুটি মে-জুন মাসের ওয়েদারে বেশ গোলোযোগ করতে শুরু করে স্টেটসে থাকলে। তাই ওই সময়টা ইন্ডিয়া যাপন।
তবে কর্মবীরের কাজের অভাব হয়না। ওই সময়টা ভদ্রলোক দেশে ফিরে পিনাকলের জন্য বিভিন্ন মৌ টৌ যাবতীয় জিনিসে সাক্ষর করে দিতেন। তাছাড়া ওইসময় পিনাকলে ঝাড়া দু’মাসের একটা পেপারও পড়াতেন – ম্যানেজারিয়াল অ্যাকাউন্টিং। আর ওই দু’মাস পিনাকলের আপামর শ’তিনেক জনতা দেবদর্শনের আনন্দে এমন সুবোধ বালক ও সুবোধা বালিকা মুখ করে ক্লাস করতো যে বিদ্যাসাগর মশাই গোপালকে আইকন করার আগে বার চারেক চিন্তা করতে বাধ্য হতেন।
দোলনার অবশ্য এসব কিছুই মনে ছিলোনা যখন ও অরভিন্দনের নিজস্ব গেস্ট হাউসে যাচ্ছিলো নিছক পরোপকারে।
পিনাকলের ভোকাব্যুলারিতে একটা শব্দ আছে – কোকো।ব্যাপারটা একটু এক্সপ্লেন করা দরকার।
ছোটোবেলা যখন আমাদের স্কুলে গিয়ে খালি সারাক্ষণ বুক ক্রিকেট খেলতে আর গল্প করতে ইচ্ছে করতো – তখন সেই সুখস্বপ্ন ভাঙাতে অ্যালার্ম ক্লকের কাজ করতেন কিছু মাস্টারমশাই – পিছনে ক্লাস মনিটর নামক একটি বিভীষিকা লেলিয়ে দিয়ে।
এই ক্লাস মনিটররা ছিলো বিভীষণের আদর্শে দীক্ষিত – যে ছেলের সাথে কাল অবধি টিফিন ভাগ করে খেয়েছে আর ডাব্লিউ-ডাব্লিউ-এফের (তখনো ওটা ডাব্লিউ-ডাব্লিউ-ই হয়নি) ট্রাম্পকার্ড এক্সচেঞ্জ করেছে – মনিটর হয়ে হঠাৎ প্রোমোশনের আনন্দে তারই নাম প্রথম খাতায় লিখতো।
কোকোরা এই ক্লাস মনিটরেরই এম-বি-এ এডিশন।
তবে তাদের কাজটা ঠিক কথা বলা বন্ধ করা ছিলোনা। চারপাশে যেখানে চরম উদ্ভিন্ন যৌবন ডানা মেলে চরম থ্রিডি অবতারে প্রস্ফুটিত সেখানে কথা বলা বন্ধ করা স্বয়ং ব্রহ্মা চারমুখে ধমক দিয়েও পারতেন বলে মনে হয়না।
কাজগুলো বেসিক্যালি ছিলো – ক্লাসে এসি চলছে কিনা, সবাই টাইমে অ্যাসাইনমেন্ট সাবমিট করছে কিনা, কেস স্টাডিগুলো জনতার কাছে ঠিক টাইমে পৌঁছচ্ছে কিনা – এইসব এনশিওর করা।
যাই হোক ধান ভানতে শিবের নামসঙ্কীর্তন করার কারণটা এই লেখকের বরাবরের অভ্যেস। এতোগুলো কথা লেখা হলো এই কারণে যে – দোলনা ছিলো প্রফেসর অরভিন্দনের পেপারে ওয়ান অফ দ্য কোকোস –আরও তিনজনের সাথে - কোকো শব্দটার ব্যাসবাক্য–কোর্স কোঅর্ডিনেটর।
তো তখন রাত সাড়ে দশটা। সেইসময় একজন পঁচাত্তর বছরের মানুষের ঘরে হামলা করা তো ঠিক রীতিনীতির গন্ডিতে পরেনা। সে তিনি যতোই সুপারবৃদ্ধ হোননা কেন। কারণ ছিলো একটা।
সেই রাত্তিরে গোটা পিনাকল রাত জাগছে – সেটা অবশ্য নতুন কিছু নয় – প্রায়শই জাগে। কিন্তু একই রাতের মধ্যে ম্যাক্রো (ইকোনমিক্স), মার্কেটিং টু, অপারেশানস ম্যানেজমেন্ট আর ম্যানেজারিয়াল অ্যাকাউন্টিং – চার চারখানা সাবমিশন বলতে নেই – ওই অতিমানবীয় এক্সপেকটেশানের আখড়াতেও কিঞ্চিৎ অধিকন্তু।
প্রফেসর অরভিন্দন ছাড়া বাকি সব প্রফেসরকেই একবার বাজিয়ে দেখা হয়েছে – কেউ যদি সাবমিশন ডেটটা সামান্য পিছোন – লাভ হয়নি। কোনো প্রফেসরই মানতে রাজি হননি যে অন্যের সাবমিশনের জন্য তার পেপার ব্যাকফুটে যাবে।
তো বসলো একটা গোলটেবিল বৈঠক। লাইব্রেরির ছাদে। পিনাকলের লাইব্রেরিটা ভারী সুন্দর ছিলো – সামনে একটা ছোট্টো বাঁশঝাড় মতো বানানো ছিলো – সেটার মাথা দিয়ে উপকূল তীরবর্তী চকচকে চাঁদ দেখা যেতো রাতবিরেতে। পিনাকলের থেকে সমুদ্রের এরিয়াল ডিসট্যান্স ছিলো মেরেকেটে পাঁচ কিলোমিটার।
সেই লাইব্রেরিটার মাথায় দুদিক দিয়ে দুটো সিঁড়ি এসে একটা প্ল্যাটফর্মে মিলেছিলো – সেটাকেই ছাদ বলা হতো।
প্রফেসর অরভিন্দনের আরও তিনজন কোকোও ছিলো দোলনার সাথে। এতক্ষণ বলা হয়নি প্রফেসর অরভিন্দন কিন্তু পিনাকলের ডিনও ছিলেন।
তো যা বাক্যালাপ হলো সেগুলো মোটামুটি এরকম।
দোলনাঃ আমাদের অরভিন্দন স্যারকে একবার বলা উচিৎ।
পুনম চোপড়া, জনৈকা পাঞ্জাবন এবং যথোচিত ডবকাঃ নিশ্চয় যাওয়া উচিৎ।
মৃগাঙ্ক ব্যানার্জী, বাঙালি এবং মুখচোরাঃ কিন্তু গিয়ে কী কোনো লাভ হবে?
সুন্দরম আইয়ার, মুম্বইনিবাসী কিন্তু আদপে তামিল, পাবে গিয়ে কার্ডরাইস অর্ডার দেয়ঃ কেন লাভ হবেনা?
পুনমঃ এক্স্যাকটলি কেন লাভ হবেনা?
মৃগাঙ্কঃ না মানে অন্য কোনো প্রফেসর মানলেন না। ডিন কী মানবেন? তার চেয়ে গিয়ে নিজেদের নিজেদের ওয়ার্কগ্রুপে কাজগুলো ডিস্ট্রিবিউট করা শুরু করলে হয়না?
রাধিকা ছাবাড়িয়া, পার্সি ডলপুতুল, ইন্দোরে বড়ো হয়েছেঃমৃগাঙ্কর কথাটায় কিন্তু লজিক আছে।
সুন্দরমঃহ্যাঁ কিন্তু একবার ট্রাই করতে দোষ কি?
রাধিকাঃসুন্দরমের কথাটাতেও কিন্তু যুক্তি আছে।
মোহিত জৈন, লোকাল সাধুবাবা, মাংস মাছ কিচ্ছু খায়না, শুধু বিয়ার ছাড়া, দিল্লীর ছেলেঃআবে তুমলোগ বাতে হি করতে রাহোগে ইয়া চলোগে ভি?
দোলনাঃগাইজ আমি যাচ্ছি। সাথে কে যাবে বলো?
রাধিকাঃ ইয়ে আমি ওয়াশিং মেশিনে কাপড় দিয়ে এসেছি।
পুনমঃ মা অনেকক্ষণ ধরে ফোন করছে আসলে।
মৃগাঙ্কঃআই অ্যাম নট ইনটু দিস।
মোহিতঃআমার মেডিটেশানের সময় হয়ে গেছে।
মৃগাঙ্কঃ অ্যাজ আই টোল্ড আই অ্যাম নট ইনটু দিস।
সুন্দরমঃআমি ডিনার করিনি, এতক্ষণে বোধহয় প্রায় শেষ হয়ে গেছে। সরি হ্যাভ টু রাশ।
দোলনাঃএকাই যাচ্ছি দেন।
‘আমি যেতে পারি’।
বিলাস রাজপুত কথাটা বললো। বিলাস রাজস্থানের ছেলে – বাড়মেরের। সেখান থেকে বেরিয়ে মুম্বইতে মেক্যানিকাল এঞ্জিনিয়ারিং, আর চাকরি, এখনো ইংলিশ বলতে তোতলায়।
বিলাসের সাথে দোলনার প্রথম ইন্টার্যাাকশানটা বেশ মজার। বেশি না পাঁচ ছটা সেন্টেসেই শেষ হয়ে গেছিলো ব্যাপারটা। ওদের ফ্রেশারস ওয়েলকাম পার্টিটা হয়েছিলো মামাল্লাপুরমেই একটা থ্রি স্টার হোটেল আছে – নটিলাস বলে সেখানে।
সেখানে দোলনা তখন তিন পেগ ভদকা আর দু’বোতল বিয়ার চড়িয়ে উদ্দাম – ইয়ে যেটা করছে সেটাকে নাচই বলে বোধহয়, সেই করতে করতে হিলে মোচড় – এবং পতন – তুলতে আশেপাশে বিলাসই ছিলো।
নেক্সট দিন সে’সব মনে হওয়ায় দোলনার স্বভাববিরুদ্ধ ভাবে বেশ লজ্জা হলো।
তো গেল বিলাসকে ধন্যবাদ জানাতে।
দোলনাঃথ্যাঙ্কস ফর ইয়েস্টারডে।
বিলাসঃ ওয়েলকাম। তুমি নর্থ ইন্ডিয়ান।
দোলনাঃবাঙালি।
বিলাসঃঅজিব ব্যাপার।
দোলনাঃকেন?
বিলাসঃ বাঙালি মেয়েদের চোখগুলো, আরও সুন্দর আর বড়ো বড়ো হয়।
দোলনাঃ ও তার মানে চোখটা খারাপ।
বিলাসঃ আর ঠোঁটগুলো আরও ইয়ে মানে পুরু হয়।
দোলনাঃও তাহলে ঠোঁটটাও খারাপ।
বিলাসঃ মানে –
দোলনাঃ মানে আমাকে দেখতে বেশ খারাপ। আর তোমার লজিকে নর্থ ইন্ডিয়ানদেরও দেখতে এমন কিছু ভালো না।
দোলনা প্রফেসর অরভিন্দনের গেস্ট হাউসের ড্রয়িং রুমে বসে বসে এসব কথাই ভাবছিলো। আর আপাততঃ যেহেতু দোলনাই আমাদের প্রোটাগনিস্ট – বিলাস কি ভাবছিলো সেটা এই মূহুর্তে ভাবার চাপ নিতে পারছিনা বস।
প্রফেসর ঢুকলেন দুধ-সাদা একটা ড্রেসিং গাউন পরে।
প্রফেসর অরভিন্দনঃ ইয়েস?
বিলাসঃ ইয়ে স্যার আমি মানে আমরা –
দোলনাঃ স্যার আমাদের একটা আর্জি আছে।
প্রফেসর অরভিন্দনঃ বলো।
দোলনাঃ স্যার কাল সকালের মধ্যে আমাদের চারটে অ্যাসাইনমেন্ট সাবমিট করতে হবে – হুইচ ইজ ক্লোজ টু ইমপসিবল। বাকি প্রফেসরদের সাথে কথা বলেছি – কেউ সাবমিশন ডেট পিছোতে রাজি নয়। আপনি যদি একটু কনসিডার করেন।
প্রফেসর অরভিন্দনঃ ইয়ং লেডি – হোয়াট মেকস ইউ থিংক আমি পিছোতে রাজি হবো?
বিলাসঃ সরি স্যার।
দোলনাঃ না স্যার সরি নয়। আপনিই একবার ক্লাসে বলেছিলেন – পিনাকলের সম্বন্ধে ভালো কিছু গোটা পৃথিবীকে বলো – কিছু প্রবলেম হলে আমাকে বলো। তাই – আপনাকেই বলতে এলাম।
প্রফেসর অরভিন্দন একটু ভাবার সময় নিলেন। তখন জুনের শেষের দিক। আস্তে আস্তে বঙ্গোপসাগরে বর্ষা ঢুকছে। সেদিন রাত্রে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে কিছুক্ষণ আগেই – ঝমঝমে নয় ঝিরঝিরে – শাওয়ার। তার স্মৃতিচিহ্নগুলো টুপটাপ ঝরে পড়ছে ড্রয়িংরুমের বাইরে যে ব্যালকনিটা আছে তার সানসেট থেকে সামনের লনের বিরহিনী ঘাসে; মদির আকাঙ্খায় প্রেয়সীকে ডেকে যাচ্ছে কোনো সদ্যকুমার কুনোব্যাঙ – আর কোনো শব্দ নেই চারদিকে।
মিনিট দুয়েক ভাবতে প্রায় অনন্ত সময় নিলেন অরভিন্দন। তারপর বললেন –
“সাবমিশন ডেটটা কবে হলে তোমাদের সুবিধে হয় বলো?”
(পরবর্তী অধ্যায় পরের রবিবার)

আপনার মতামত জানান