চারটি কবিতা

সব্যসাচী হাজরা
আদর

বুবুনের বুকের ধ্রুবক পাল্টা দিচ্ছে আকাশ কে
আকাশের অখণ্ড হ্যালাচ্ছে
           বিস্তার বাবুর অগণিত গণিত
আর তিস্তার তৈরীতে মায়ের সমান
ব্যানার্জী বানান হড়কাচ্ছে
         তোতন পাল্টাচ্ছে চোখে মুখে
                 আর সাবান ঘষছে যথেচ্ছ
আকাশ পাল্লা দিচ্ছে বুবুনের বুকে
               বানানের বনে আদর ঝরছে...





পাল্লা

স্বাভাবিক মানুষের চাপের দৈর্ঘ্য
স্ত্রীর সমুদ্রকালে অসীম পর্যন্ত পুরুষ পুরুষ খেলা
চাপানো হল সাইকেলে এসে
ব্যক্তির দূরত্ব থেকে দু ঘন্টা বিশ্রাম নিন
অযুগ্ম মেয়ের আপেক্ষিক বুকে
           এরূপ ছিটকে এলে
                      সিগমায় বসুন
ছেলের পাল্লায় সূচক লাগিয়ে
                 হাতিয়ে আনুন
                      মায়ের আপেল
                            বাবার লম্ব
           পরীক্ষায় ভাগ করে দিন...

বিশ্ব পরিবেশে

আরামতোল  , নে    নে তুলে নে
                 কোলবালিশের গল্প
যতটুকু কোল ততটুকু কলা বিভাগ নয়
এমন আগল করা আগেও দেখেছি
  গাছে গাছে ভোগচিহ্ন
         সুরকারে বীজশূন্য হয়
                 সরকার সহজেই ফোটে
লাল্টু গোগোল মিতালির ঘর
   দোলাচ্ছে শৌচালয়
                 বিশ্ব পরিবেশে...



গোলাম


আমাদের প্রিয় গোপালের হড়পায় বেগবতী হও মাগো
বয়স্ক শিশুর টানে বলবৎ পাহাড়
শঙ্কুর মুখে বসাচ্ছে গাণিতিক যুগ
নাভিলম্বের দৈর্ঘ্য বরাবর
“আমরা ভারতের জনগণ”
           চড়ুই পুষছি ঘরে
                 কাকের খোঁজে সংবিধান
                            ঘোরাচ্ছে বিবি
                                 গোলাম উঠবে বলে।



আপনার মতামত জানান