হৃদয়পুর কত দূর?

জয়দীপ চট্টোপাধ্যায়


এই পান-পাতা আকারের লাল-গোলাপী হৃৎপিণ্ড’র ছবি, বা সেইরকম কিছু দেখলেই - সেই লাল, মেরুন বেলুন হাতে বোকা বোকা মুখ করে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলেটার কথা মাঝে মাঝেই মনে পড়ে যায়... যেখানেই দু'জন একসাথে দেখছিল, সেখানে ছুটে ছুটে যাচ্ছিল। লাল, মেরুন বেলুন... তাসের পানের মত দেখতে, 'হার্ট-শেপ্‌ড'। এমন হৃদয়ের উৎসব এলে এদের দিনগুলো বোধহয় ক'দিন ভাল যায়। এমন হৃদয়ের দিনে, হৃৎপিণ্ড নামের জাগতিক স্থূল প্রাণী অঙ্গটা একটু অন্যরকম দেখতে হয়; নিজেকে 'হৃদয়-হৃদয়' ভাবতে ভালবাসে। হয়ত, এই ভাবে আলাদা করে হৃৎপিণ্ডকে হৃদয় ভাবার একটু বেশি করে সময় দেওয়ার জন্যেই এমন হৃদয়ের দিনগুলো... তা সে ভ্যালেন্টাইন'স ডেই হোক, বা বসন্তোৎসব, কিংবা রাস।
যাক গে, সেই ছেলেটার কথায় আসি। এই এগারো বারো বছর বয়স হবে। শহরের প্রাণকেন্দ্রে, ফুটপাথের একদিক থেকে আর একদিক এমন হৃদয়- যুগল খুঁজে খুঁজে হৃদয়ের মত বেলুন (নাকি বেলুনের মত হৃদয়) এগিয়ে দিচ্ছে হাসি হাসি মুখ করে। নাহ্‌, নাগরিক কিউপিড... হাফপেন্টুলে মদন দেব... তির-ধনুকের বদলে বেলুন ধরেছে কলিকালে... এই সব ফালতু রূপক কিচ্ছু মাথায় আসছিলো না দেখে। শুধু দেখতে দেখতেই... একটু অন্যরকম লাগছিল... একটা সিনেমার মত। লাল পছন্দ না হ’লে মেরুনটা এগিয়ে দিচ্ছে... কারও কারও কিছুই প্রয়োজন নেই... কারও একহাতে আইসক্রিম কোণ, অন্য হাতে হাত... বেলুন আর ধরবে কোথায়? সেসব দেখে চলে যাচ্ছ তাদের কাছে, যাদের হাত খালি। ঘটি-গরম বিক্রি করা লোকটা, যে রোজ ব্যস্ত থাকে এই রাস্তায়... তার থেকে বেশি ব্যস্ত আজ লাল হৃদয় – মেরুন হৃদয়। একটু ভাল করে তাকালে, দেখাও যায় এদিক ওদিক, কারও কারও হাতে এই সুতোয় বাঁধা হৃদয় ভাসছে, আকাশের দিকে উড়ে যেতে চেয়ে সুতোয় টান। এই ছেলেটির কাছ থেকেই নিয়েছে হয়ত... কিংবা এরই মত অন্য কেউ, কাছাকাছি অন্য কোথাও।
ফুটপাথের ধারের রেলিং-এ হ্যালান দিয়ে এক যুবক দাঁড়িয়েছিল, তার থেকে দু’হাত দূরত্বে এক যুবতী। লাল-মেরুন হৃদয়গুচ্ছ তাদের দিকে এগিয়ে গেলো। হাতের সুতো এগিয়ে দিয়ে হাফ-পেন্টুল বলল ‘দশ টাকা’। ছেলেটি হেসে বলল ‘না ভাই’... মেয়েটি শুধু ঘাড় নেড়ে বুজিয়ে দিলো ‘না’, তারপর হাতের মোবাইলটা কানে নিয়ে নিলো। একটু ঘুরে ফিরে আবার ফিরে এলো হাফ-প্যান্ট, আর একবার বেলুন এগিয়ে দিলো সেই যুবকের দিকে... দু’জনের মাঝখানে দাঁড়িয়ে। ছেলেটি হেসে বলল “না রে... আমাদের কারও এই বেলুন লাগবে না... তুই বরং অন্য কোথাও চেষ্টা কর।” মেয়েটি ফোনে কথা বলতে বলতে একবার ছেলেটির দিকে তাকালো, তারপর ভুরু কুঁচকে হাফ-প্যাণ্টের দিকে। হাফ প্যান্টও সেই কোঁচকানো ভুরুর দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে চলে গেলো অন্য দিকে। যুবক একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল হাফ-প্যান্টের চলে যাওয়ার দিকে, তারপর কি একটা ভেবে হেসে মাথাটা নাড়ালো দু’বার... ফুটপাথের দিকে তাকিয়ে।
একসময়, একটা চার পাঁচ বছরের বাচ্চা ওই লাল ভাসমান হৃদয় দেখে তার মায়ের হাত ধরে খুব টানাটানি শুরু করল। সেই নাছোড়বান্দা অবস্থা দেখে, হাফ-প্যাণ্ট পড়া একাধিক ভাসমান হৃদয়ের মালিক এগিয়ে গেলো তাদের দিকে। মায়ের প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও বাচ্চা ছেলেটির বাবা একটা লাল রঙের বেলুন কিনে সুতোটা এগিয়ে দিলো ছেলেটির দিকে... তার মায়ের দিকে তাকিয়ে। হাফ পেন্টুল তার অবশিষ্ট হৃদয়দের নিয়ে অন্য কোনও হৃদয়ের জোড়ার দিকে এগিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই বাচ্চার কান্না আবার শুনতে পেলাম। বেলুনটা হাত ফসকে বাতাসে ভেসে গেছে। উড়তে উড়তে ওপর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সদ্য বিকেল পার হওয়া সন্ধের আকাশে। মায়ের গলা শুনতে পেলাম – “আর কিচ্ছু চাইবে না... অন্যায় জেদ!”
এই একগুচ্ছ ভাসমান হৃদয়-বেলুনের গুলদস্তা ফেরি করে বেড়ানো হাফ প্যান্ট পরা কিশোরকে দেখে মনে হয় - ঠিক চ্যাপলিন-এর ‘দ্য গ্রেট ডিক্টেটর’-এর সেই দৃশ্যটার মত, কেউ একটা কোথাও একটা বিশাল বড় মাপের হৃদয় আকারের বেলুন নিয়ে খেলছে... ঠিক সেইরকম, যেভাবে ডিক্টেটর Adenoid Hynkel (চ্যাপলিন) পৃথিবীর মত একটা বেলুন নিয়ে খেলছিল। চোখের সামনে ভেসে ওঠে - এক হৃদয়ের ফেরিওয়ালা এমন একাধিক হৃদয়রূপী বেলুন নিয়ে জাগলিং করতে করতে একটা মস্ত হৃদয়ের মত বেলুন নিয়ে লোফালুফি করা শুরু করে দিল। খেলতে খেলতে আত্মহারা হয়ে গেল। আর খেলতে খেলতে, সেই হৃদয়টাও দুম করে ফেটে গেল একসময়। আর কেউ একজন তারপর বলল - “আর কিচ্ছু চাইবে না... অন্যায় জেদ!”
অথচ আমি সেদিন অতক্ষণ ফুটপাথে কি করছিলাম, কেন দাঁড়িয়েছিলাম... এইসব হাবিজাবি দেখার আর ভাবারই বা মানে কি? সে নিয়ে কিছু জিজ্ঞেস করলে বলতে পারব না। এমনিতেই, গুছিয়ে সব কিছু বলা, বুঝিয়ে সব কিছু বলা... বা বলে বুঝিয়ে দেওয়া; ও সবার কম্মো নয়। হয়ত মানুষের বিশেষ কাজ-টাজ না থাকলে, এমন কাটিয়ে দেওয়ার মত সময় থাকে... বা এভাবে কেটে যাওয়ার জন্যই থাকে সময়। সিম্প্যাথি–এম্প্যাথি র গল্প শোনানোর ব্যাপার নেই; এমন ছোকরাদের ফেরি করতে তো হামেশাই দেখা যায়। তবে একবার মনে হয়েছিলো হাফ-প্যান্টের কাছ থেকে সব কটা বেলুন কিনে নিয়ে হাওয়ায় ভাসিয়ে দিয়ে ‘আনন্দ’-এর রাজেশ খান্নার মত চলে যাই... ছেলেটাকে ক’টা টাকার জন্য একটা বেলা অন্ততঃ এত ছুটতে হবে না। তারপর মনে হ’ল “ধুস্‌, ওটাও অপচয়... যাদের দরকার তারা কিনুক।” এভাবে সব কিনে উড়িয়ে দিলে... বাকিদের হাত থেকে ফসকাবে কি? ফাটবে কি? ইচ্ছে মত উড়িয়ে দেবে কি করে? অবশ্য অনেক কে দেখি খুব উৎসাহ নিয়ে কিনে (নিজের জন্য বা কাউকে দেওয়ার জন্য)... পরে স্রেফ সেই হৃদয় বেলুনের ওপর থেকে মন সরে গেল, বা অন্য কিছু ধরতে ইচ্ছে করল বলে - বেলুনের সুতোটা ছেড়ে দেওয়া।

কি? ভ্যালেন্টাইন্‌স ডে-র কথা? এতক্ষণ তো একটা ভ্যালেন্টাইন্‌স ডে’র কথাই বললাম। ভ্যালেন্টাইন্‌স ডে সম্বন্ধে আলাদা করে আর কি বলব? সবাই তো সব জানে! যেমন ‘স্বাধীনতা’ থেকে শুরু করে ‘পরিবেশ’ সব কিছু’র জন্য একটা একটা করে দিবস আনা হয়েছে, তেমন ভালবাসার জন্যেও রেখেছে একটা ক্যালেন্ডারে। কোনও দরকারি কাজ, যাতে ভুলে না যাওয়া হয়... তার জন্য ক্যালেন্ডারে দাগিয়ে রাখা হয়। কোনও কোনও বিষয়কে দৈনন্দিন জীবনের বাইরে একটু বেশি গুরুত্ব দেওয়ার জন্যই এমন পদ্ধতি। বোধহয় কিছু কিছু জিনিস বিপন্ন হ’তে শুরু করলেও এই গুরুত্বটা জরুরি হয়ে পড়ে। তেমনই জরুরি দিন - এই ভালবাসার দিন। সারা বছর যদি নিখাৎ ভালবাসার দিন হয়ে সত্যিই থাকে, তাহ’লে নতুন করে এমন দিনের দরকার হয় কি? হয়ত তা আর নেই বলেই... ক্যালেণ্ডারে গোল করে দাগ দিয়ে রাখতে হয়। এর মধ্যে নেতিবাচকতা খুঁজি না আমি... অন্য কেউ খুঁজলে বিরক্তই লাগে। ফাদার্স ডে, মাদার্স ডে, ফ্যামিলি ডে... উদ্‌যাপন করতে হয় পাশ্চাত্যে... কারণ, এই বিশেষ দিনগুলো বাড়তি সংবেদনশীল এবং সচেতন হওয়ার দিন তাদের কাছে। কারণ এই সম্পর্কগুলো যে ইঁদুরদৌড়ে বিপন্ন, এটা তারা হাড়ে হাড়ে টের পায়। মহাবিশ্বের নক্ষত্রপুঞ্জ থেকে শুরু করে এই পৃথিবীর কন্টিনেন্টাল ড্রিফ্‌ট... শুধু দূরে সরে যাওয়ার ভয় দেখায় খালি। একা হ’তে হ’তে আর একা লড়তে লড়তে এই অস্তিত্বের বিপন্নতা আঁচ করা যায় বলেই এই দিনগুলো এসে গেছে। মানুষ আনন্দ করতে চায়, ভাল থাকতে চায়... তাই উৎসব করতে চায় এই বিশেষ দিনগুলোতে... যাতে দূরে থাকাটা এইভাবে বাঁধ দিয়ে আটকানো যায়। আমাদের দেশে এই গোলাপি ঢেউ এসেছে ভ্যালেন্টাইনের... বেশ হয়েছে। হৃদয়-দিবস হোক... আকাশে হাজার হাজার গোলাপী, মেরুন, লাল হৃদয় ভাসুক। তবে ইয়ে... ওরা না থাকলে আমাদের হৃদয়-দিবস চেনা হ’ত না, এসব বললে শুধু হাসি পায়। সন্ত ভ্যালেন্টাইন মহাপ্রাণ ব্যক্তি... যা করেছেন, তার জন্য সকলে মনে রাখুক। তবে এই প্রবীনা ভূখণ্ড ভারতবর্ষতে বহু বছর আগে থেকেই চলেছে রাস উৎসব (কোথাও বসন্তে, কোথাও শরতে), চলেছে ফাল্গুনে হোলি। শুধু হাতে হাত ধরে যুবক-যুবতী কি মানব-মানবীর সম্পর্ক নয়... একদম ঘুঁষি ঠুকে তার কয়েক ধাপ ওপরে তুলে দিয়ে দোলযাত্রায় চৈতন্যদেবের অনুরাগী বলে দিয়েছে –
আত্মেন্দ্রিয় প্রীতি ইচ্ছা তারে বলি কাম
কৃষ্ণেন্দ্রিয় প্রীতি ইচ্ছা ধরে প্রেম নাম।।
এমন কি প্রাচীন মগধে, ফাগুন উৎসবকে তো সরাসরি মদনোৎসব বলে উদ্‌যাপিত কর হ’ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে... রতি-কন্দর্পের উপাসনা পর্যন্ত হ’ত বলে উল্লেখ পাওয়া যায়। সেই দেশে হঠাৎ করে ভ্যালেন্টাইন এলো বলে একদিকে হুল্লোড়, আর ভ্যালেন্টাইন কেন এলো বলে চোখ রাঙানো চলতে দেখলে হাসি পাবে না?

অবশ্য, অন্তে এই ভালবাসার বোধই সর্বব্যাপী হয়ে থাকে। ওই লাল পান-পাতার মত দেখতে হৃদয়, বা তার মত করে সাজানো সব সুন্দর সুন্দর উপহার-উপঢৌকন... আর বাকি যা কিছু – সব এক একটা মুহূর্তের প্রতীক বড় জোর। প্রতীক... তবে পদার্থ। প্রতীক... তবে নঃস্বর। ওই মুহূর্তেই তার আনন্দ নিয়ে ভাসিয়ে দিতে হয়... হৃদয় বেলুনের মত। ভালবাসার বোধটা থেকে যায়... ভ্যালেন্টাইন্‌স-এর মধ্যেও... বাইরেও। আগেও... পরেও। এমন কি যারা ভ্যালেন্টাইন্‌স ডে, তারিখ, বসন্ত, হোলি, লাল পান-পাতা... এসব কিছুর থেকে সহস্র যোজন মাইল দূরে, তাদের মনেও সেই বোধ জাজ্বল্যমান। ভ্যালেনটাইন্‌স ডে মনে না রাখার জন্য তাদের কারও উষ্মা সইতে হয় না। ১৪ই ফেব্রুয়ারী একসাথে বেরোতে গেলে তাদের কারও চোখ রাঙানী সইতে হয় না। ভ্যালেন্টাইন্‌স ডে তে একা থাকতে হ’ল ভেবে তাদের মন খারাপ করতে হয় না। তাদের তোমরা দেখেছো... তাদের আমরা রোজ দেখি... কেউ কেউ মানুষ, কেউ কেউ মানুষ নয়। তবে সবাই এক একটা ভালবাসার বেলুন। যে যার মত, সাদা থেকে গোলাপী, গোলাপী থেকে মেরুন, মেরুন থেকে লাল, লাল থেকে কালো, কালো থেকে ধূসোর, ধূসোর থেকে আবার সাদা হয়ে যাচ্ছে... এমন রঙের পরিবর্তন হয়েই চলেছে প্রতিদিন... প্রতি মূহুর্তে। হৃদয়ের দিবস সেখানে প্রতিদিন... হৃৎপিণ্ড স্পন্দিত হ’তে হ’তে হৃদয় অবতার হয় ফিসফিস করে বলে থাকবো – থাকবো – থাকবো - থাকবো।

যাক গে, সেই সন্ধের ফুটপাথে ফিরে আসি। সেই হাফ-প্যান্ট পরা হৃদয়ের ফেরিওয়ালার কথায় ফিরে আসি। সেই হাফ-প্যান্ট ছোকরা ফুটপাথ ছেড়ে চলে যাওয়ার পরেও এদিক ওদিক বেশ কিছু রঙিন হৃদয় ভাসিয়ে রেখে গেলো। ঠিক যেমন আতর ছড়িয়ে চলে গেলে, তার সুবাস পড়ে থাকে। তারপর আর সেখানে বিশেষ কিছু দেখার ছিলো না। যা দেখছি, তা রোজই দেখি প্রায়... শুধু হাতে এই বাড়তি ভাসমান হৃদয়গুলো। তারপর রাতের দিকে ফিরতে ফিরতে দেখলাম, পথের ধারে ফুটপাথে কেরোসিনের স্টোভে হাঁড়িতে ভাত ফুটছে। আর অল্পদূরে ময়লা হাফ-প্যান্ট পরা একটি বাচ্চা ছেলে একটা বেলুনে ফুঁ দিয়ে ফোলাচ্ছে, আবার হাওয়া ছেড়ে দিচ্ছে। বেলুনটা ফুলে উঠেই মেরুন রঙের হৃদয়ের মত আকার নিয়ে নিচ্ছে, তারপর আবার চুপসে যাচ্ছে। স্টোভের সামনে অদ্ভুত বিরক্তি নিয়ে হাঁড়ির দিকে তাকিয়ে একজন মহিলা বসে ছিল, বোধ হয় সেই বাচ্চা ছেলেটির মা। হঠাৎ পেছন ফিরে ছেলের দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে বলে উঠল – “আগে গিলে নে... তারপর সারা রাত্তির জেগে বেলুন ফুলোস!” দেখলাম... এই ভাবে হৃদয় বেলুনে ফুঁ দিতে দিতে রাতের ফুটপাথ কেমন হৃদয়পুরের স্টেশন হয়ে যায়।
দেখে মনে হ’ল... এই বাচ্চা ছেলেটিকে যদি কেউ জিজ্ঞেস করে ‘বাবু, তুমি বড় হয়ে কি হবে?’... তাহ’লে সে উজ্জ্বল ছাত্রদের মত উজ্জ্বল কোনও জীবিকার কথা বলবে না... হয়ত সেও হৃদয়ের ফেরিওয়ালা হ’তে চাইবে, ব্যস্ত শহরের প্রাণকেন্দ্রে ভ্যালেন্টাইন্‌স ডে তে হৃদয় বিলি করার জন্য। অবশ্য, এগুলো সবই “দেখে মনে হ’ল”। দেখার ভুলও হতে পারে। আমার আবার মাঝে মাঝেই দেখার ভুল হয়। দেখার ভুল... সে গপ্পো না হয় অন্য কোনও দিন বলা যাবে।

আপনার মতামত জানান