আমাদের প্লাটিনামের বাংলা

কিঙ্কিণী বন্দ্যোপাধ্যায়

 

লাল রাজ্যে ‘হারবাট’ আটকে গিয়েছিল, সবুজ রাজ্যে আটকাল ‘কাঙাল মালসাট’। লাল রাজা বানতলায় ধর্ষণ হলে বলেন “এমন তো কতই হয়!” সবুজ রানীর সহচরী পার্ক ষ্ট্রীটে ধর্ষণ হলে বলেন “মহিলা ও তার খদ্দেরদের মধ্যে ঝামেলা হচ্ছিল”। লাল রাজ্যে তসলিমাকে কলকাতায় ঢুকতে দেওয়া হতো না। সবুজ জমানায় সেখানে যুক্ত হয়েছে রুশদির নাম। মোদ্দা কথা হল পাড়ার মোড়ে মোড়ে গণশক্তির টেবিলগুলো জাগো বাংলা হয়ে গেলেও মা যা ছিলেন, তাই আছেন। তাই যদি হবে তাহলে এতো কষ্ট করে ‘চৌত্রিশ বছর’ ‘চৌত্রিশ বছর’ বলে খোঁটা দেবার কি ছিল? নাকি চৌত্রিশ বছর ধরে কিদারুণ ওরা সব রাইটার্সে গেল, আমরা কেবল পার্টী অফিসেই পড়ে রইলুম গো দুঃখ? তারপরেও কি আফসোসের শেষ আছে? লাল কার্পেটের বদলে সবুজ কার্পেট পেতে নাহয় ‘দীর্ঘ চৌত্রিশ বছরের (একেবারে সতেরো দুগুণে চৌতিরিশ...!! আই মা!! ) অপশাসনের’ হাত থেকে মুক্তি দেওয়া গেল, কিন্তু মুখপোড়া মহাকরণ বাড়িতেও লাল রঙ!!

না বাবা!! বাংলাদেশের ব্লগার রাজীব হায়দারের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে! আর লিখব না! (দুঃখু ঃ’-( ) আহেমমম...না না, আমাদের দিদিভাই মোটেই অতো দুষ্টু নন। ছোটো বোনটিকে কি আর প্রাণে মারবেন? আমাদের দিদিভায়ের দয়ার প্রাণ, বড়জোর অম্বিকেশ মহাপাত্র বা শিলাজিতের মতো এট্টুসখানি জেলে যেতে হবে কদিনের জন্য (ওওবাবা!! মনে ছিল না! জেল আর জেল নয়কো, সব এখন সংশোধনাগার, ওঁদের তাহলে নির্ঘাত শোধরাতে পাঠানো হয়েছিল!)। যেতে তো হবেই! রাজা-রানীদের নিয়ে মজার ছবি আঁকতে নেই এটাও বলে দিতে হবে? অবিলম্বে ব্রিটসস্ট্রিপ কার্টুনের অ্যাপস্ তুলে দেওয়া উচিৎ!
না না! অনেক হয়েছে, আমার সঙ্গে সঙ্গে বেচারা অভীক দা’কেও শোধরাতে পাঠাবে। সম্পাদক তো!

কিঙ্কিণী বন্দ্যোপাধ্যায়

কিঙ্কিণী বন্দ্যোপাধ্যায়


যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তুলনামূলক সাহিত্যে মাস্টার্স করেছে
কিঙ্কিনী বন্দ্যোপাধ্যায়। কিঙ্কিণীর কবিতা ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে সব মহলে।ব্লগার হিসেবে আদরের নৌকায় কিঙ্কিণীর যাত্রা শুরু হল আজ থেকে।পড়ুন এবং জানান কেমন লাগল কিঙ্কিণীর ব্লগ...


আপনার মতামত জানান