চার প্রহর

জয়দীপ চট্টোপাধ্যায়

 

(১)

অন্ধকার হ'লে টের পাওয়া যায়... একটা দু'টো মশা ঠিক ঘরে থেকে গেছে। কানের সামনে হুইস্‌ল... না হুইস্‌ল নয়, সাইরেন। সাইরেন বাজিয়ে চলে যায়, শুধু ঘুমটা নষ্ট করে দেওয়ার জন্য।
একাত্তরের মশাগুলো বড় বেয়ারা, এখনও রাতের আঁধারে ঘুরে বেড়ায়... ডানা মেলে। ডানা শুনলে শুধু পাখিদের কথা মনে পড়ে, তাই না? না হয় একটু হিংস্র হ'লে বাজ, কিংবা ঈগল? না হয় একটু পোয়েটিক জাসটিস্‌ করে নিশাচর প্যাঁচা? কিন্তু এই মশাগুলো যে ঝাঁকে ঝাঁকে বোঁ বোঁ করে যুদ্ধ বিমানের মত ডানা মেলে উড়ছে... একটা দু'টো ঠিক ঘরে ঢুকে অন্ধকারে, জেল-পালানো সাইরেন... ব্ল্যাক-আউটের সাইরেন... কানের কাছে বাজিয়ে দিয়ে যাচ্ছে... তাদের সেই উড়ানকে কোণ সংকেতে ধরবে অন্ধকার?
একাত্তরের মশাগুলো বড়ই বেয়ারা, এখনও বিহ্বল চামড়ায় আমূল বিদ্ধ হুল অন্ধকারে।
উফফ! বিরক্তির চড়টা বার বার নিজেরই গালে নেমে আসে... চোখ বন্ধ করে কান খাড়া করে শোনা... আবার কখন সাইরেনটা আসবে, আবার কখন বসবে হাতের নাগালে কোথাও, চটাস করে অন্ধকারেই চড়। শালা! দেখাচ্ছি দাঁড়া!
চটাস্‌ চটাস্‌ করে অন্ধকারে চড়ের আওয়াজ... নাকি অন্য কিছু... দেওয়ালে দেওয়ালে রক্তের ছিটে। অন্ধকারে লাল রঙ কি আলাদা করে চেনা যায়? ভেজা রক্ত? রক্তের স্বাদ, গন্ধ? আলো ফুটলে... আর কিচ্ছু নেই কোথাও, শুধু দেওয়ালে দেওয়ালে রক্তের ছিটে।
দশকের পর দশক পেরিয়েও... একাত্তর এর মশাগুলো সাইরেন বাজিয়ে যায় অন্ধকারে।


(২)

তারপর তোকে যদি গলির সব ক'টা কুকুর একসাথেই তাড়া করে, তখন?
জানি, ও অন্ধকার গলি দিয়েই তো রোজ যাওয়া আসা। না... ঠিক অন্ধকার নয়... আলো তো জ্বলে টিমটিম করে, হলুদ আলো, সরকারি লাইটপোস্ট থেকে। কিন্তু অন্ধকার গলি... গলি, তাই অন্ধকার। তুই, আমি... আমরা... আর আমাদের লম্বা, বেঁটে মাঝারি ছায়াগুলো রাতের পর রাত এই গলির আঁকে বাঁকে এগিয়ে যাই। কুকুরগুলো রোজ দেখে আমাদের। অন্ধকারে দাঁড়িয়ে দেখে, কোথাও শীতে জড়সড় হয়ে দেখে... চোখে সারাদিনের খিদে নিয়ে দেখে। কি রে, দেখে না? নাকি কখনও দেখিস নি তুই ওদের?
ভয় নেই, ওরা তো এই ভাবেই জন্মের পর জন্ম অন্ধকারে বসে থাকবে। গলির কোণে কোণে শুয়ে থাকবে এই ভাবেই। দিনের বেলা ডাস্টবিন শুঁকে বেড়াবে, চায়ের দোকানের ছুঁড়ে ফেলা লেড়ো বিস্কুটের জন্য তাকিয়ে থাকবে ভিখিরি হয়ে অবেলায়। ও পাড়ার কুকুর ঢুকলে, এ পাড়ার কুকুর দল বেঁধে তেড়ে যাবে কান আর লিঙ্গ ছিঁড়ে নিতে। দেখ না, তাকালেই বুঝবি, কতগুলো একটা কানে কামড়... কতগুলো দু'কানেই। তাই বলে আর কিছু দেখতে যাস না আবার... ঘরে গিয়ে অন্য কিছু দেখে নিস, যেমন দেখিস রোজ রাত জেগে... শালা কুত্তা! হা হা হা!
তারপর যা বলছিলাম... রাত হলেই শুনবি... একটা লম্বা সুর তুলে ডাকলে... আর একটা... তারপর একটা... তারপর একসাথে সবাই... এ পাড়া ও পাড়া থেকে... ঠিক যেমন অনেক দিন আগে ওদের বাপ-ঠাকুদ্দারা জঙ্গলে করত। প্রবাদটা মনে নেই?
দেখ দেখ... এখনও কেমন তাকিয়ে দেখছে... বেচারা, নিরীহ... ঠিক তোর আমার মত। শীতে কুঁকড়ে আছে দেখ, সারাদিন হয়ত কিছু পেটে পড়েনি। ঘুমিয়ে পড়লে, আর খিদে পায় না... না রে?
দেখ, কেমন ডান দিক, বাঁ দিক করতে করতে করতে অন্ধকার গলিগুলো পেরিয়ে অন্য জায়গায় চলে এলাম। কুকুরগুলো একটা দু'টো ডাকছে, শুনতে পাচ্ছিস? আচ্ছা... যদি হঠাৎ একদিন তোকে ওই সব ক'টা কুকুর একসাথে তাড়া করে, তখন? অথবা ধর... তুই, আমি... যদি আমরা সবাই মিলে একসাথে কাউকে তাড়া করি... তখন?


(৩)

খুব সাবধানে হাঁটতে হয়, অলি গলি, বড় রাস্তা... এমন কি ফুটপাথ দিয়েও... রাত হ'লে খুব সাবধানে হাঁটতে হয়। রাস্তা তো শুধু একা শুয়ে নেই এই ভাবে। তার নিচ দিয়ে চলে গেছে অন্তঃশীলা হাইড্রেন, অথবা কালো পিচের পাশে কাঁচা নর্দমা... ফুটপাথে খোলা ম্যানহোল। খালি ক্যানটাকে জুতোয় আলতো ঠোকা দিতে দিতে, এক সময় সেটা বেলাইন হয়ে এইরকম বেয়ারা ম্যানহোল, কিংবা কালো প্রবাহের নর্দমায় হারিয়ে গেছে... কতবার। মাঝে মাঝে ভাবি, এই খাল, নদী... এগুলো না থাকলে এই শহুরে নর্দমাগুলো একসাথে গিয়ে মরত কোথায়?
- ভাঁট বকার আর কোনও টপিক পেলে না ভাই... শেষ কালে নালা-নর্দমা?
না না... ঠিক তা নয়... কি আলো কি আঁধার, কি গলি কি ফুটপাথ... হাঁটি তো রাস্তা দিয়েই। কিন্তু আজ অবধি রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে, একবারও নর্দমার দিকে চোখ যায়নি, এমন হয়েছে বলুন? আর রাত দুকুরে তো আরও বেশি করে খেয়াল রাখতে হয়... পথ থেকে সরতে সরতে, হঠাৎ বেকায়দায় পা হড়কালে?
আমার নর্দমার সঙ্গে কিসের সম্পর্ক ছিলো জানেন? বলের। বল পড়লে, ও সে যত নোংরা জলের মধ্যেই ভাসতে ভাসতে চলে যাক... একবার হাত বাড়িয়ে তাকে খপ করে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করবই করব। কেউ দেখে ফেলে ভাংচি দিলে বাড়িতে বাওয়াল হবে, সে হয় হোক! নর্দমায় কবজি, কনুই অবধি ডুবিয়ে... এমন কি পাঁকে নেমেও তো কতজনে কতকিছু তুলে নেয়... একটা বাচ্চা ছেলে রাবারের বল তুলতে গেলেই যত দোষ?
অবশ্য তার থেকেও বেশি মজা পেতাম জলে কুঁচো মাছ দেখে। মাছ তো নয়, ব্যাঙাচি! সে অনেক পরে কেউ খিল্লি ওড়াতে বুঝেছিলুম। সেই ব্যাঙাচিদের ভেসে বেড়ানো ঝুঁকে পড়ে দেখা নিয়ে কি হাসাহাসি। পর পুকুরে ছোট মাছ দেখলেও, আগে শিওর হয়ে নিতুম... সাপ, ব্যাঙ, টিকটিকি... না সত্যিকারের মাছ।
তবে সব থেকে খোরাক হ'ত মাতাল আর ড্রেন-এর ডুয়েল দেখা। মাতাল টলতে টলতে ড্রেন-এর দিকে গোঁত খাচ্ছে মানেই এবার পড়বে। আমিও বুঝি না, চড়ে যাওয়ার পর, বেছে বেছে ওই ড্রেন গুলোর ধারেই ওদের ঘুম পায় কেন? একবার কি হয়েছিল জানেন... একটা দেওয়ালের পাশ দিয়ে মাঝারি চওড়া ড্রেন, আর ড্রেন এর এপারে একদম আউট পাবলিক একজন। যেই টাল খেয়ে ড্রেন-এ পড়তে যাবে, দু'হাতে উলটো দিকের দেওয়ালে সাপোর্ট দিয়ে নিয়েছে! আর তারপর সে কি খোরাক! একটা হাত তুলে যেই সোজা হ'তে যাচ্ছে, টাল খাচ্ছে... এই পড়ি পড়ি করে আবার দেওয়ালে দু'হাত। কিছুক্ষণ রেস্ট, তারপর আবার এক হাত তুলে সোজা হওয়ার চেষ্টা। মাল কিছুতেই ছাড়বে না, সোজা হওয়ার চেষ্টা, আর ড্রেন পড়বেই এমন অবস্থা। পাশে লোকজনের ভিড় জমে গেছিল মাইরি। রাস্তার চলতি অটো থেমে দাঁড়িয়ে পড়ল খোরাক দেখবে বলে! শেষে কে একটা এসে কোমর ধরে টেনে রাস্তার ওপারে নিয়ে গেল। রগড় জমা ভিড়টা পাতলা হয়ে গেল। মিনিট পনেরো পর, সেই রাস্তায় আবার এসে দেখি, মাতালটা ফিরে এসে সেই দেওয়াল আর ড্রেনের সঙ্গে আবার পুরনো ট্রাপিজের খেলা শুরু করে দিয়েছে।
তবে সেসব বোধহয় এখন আর শহরে বেশি দেখা যাবে না, সব নর্দমা ঢেকে রাস্তার তলায় পাইপ বসে গেছে। তবে সেসব পাইপও গিয়ে পড়েছে সেই খালে, খাল পড়েছে হুগলী-ভাগিরথীতে। জোয়ারের সময় দেখেছি, ভাগিরথীর জল আদিগঙ্গায় ঢুকে পড়ে... মানে তো সেই খাল, খালে গঙ্গার জল ঢুকে পড়ে। অন্যসময় কালো পাঁকে মজে থাকা আদিগঙ্গা... আসলে একটা বড় হাইড্রেন যাতে শ্মশানের ফুল, অস্থি থেকে মড়া কাঠ কুকুরের লাশ অবধি চিৎ হয়ে ভেসে যায়। কিন্তু ওই জোয়ার এলে জলটা একটু অন্যরকম দেখায়, বর্ষাকালে।
রাতের অন্ধকারে ওই রাস্তার তলা দিয়ে, কিংবা হাঁ করে ম্যান হোল... অথবা কোথাও কাঁচা নর্দমাগুলো দেখলেও সাবধান হয়ে থাকি... মনে হয় রাস্তার পাশে শুয়ে ওই চোরা স্রোত, ভেসে যাওয়া অন্ধকার... কোথাও থকথকে জমাট। যদি কোনও কালো প্যাকেট এমনিও ভেসে যেতে দেখি সে অন্ধকারে... শ্মশানের কথা মনে পড়ে মাঝে মাঝে... যদি সে কালো প্যাকেটে কোনও ভ্রুণের অবশেষ থাকে?... হাত বাড়িয়ে তাকে ছোঁব? না নিজেও ভেসে যাবো রাতের অন্ধকারে?


(৪)

রাতের গ্রাফ পেপারে কেমন আলো আর ছায়ার খোপ খোপ। দেওয়াল আর রক... লম্ব আর ভূমি... কেমন অক্ষ হয়ে থাকে।
রকে দাঁড়িয়ে থাকা চেহারাটা দেওয়ালের গায়ে হেলে থাকে, দেওয়ালে পিঠ দিয়ে। একটা পা রকে আর একটা পা ভাঁজ হয়ে দেওয়ালে। মাঝে মাঝে তীব্র হয়ে ওঠা লাল বিন্দু অন্ধকারে। দেওয়ালের রঙ? বাড়ির ঠিকানা? লোকটা কে? সেসব তো দেখিনি। শুধু আগুনের লাল বিন্দুটার অন্ধকারে ঘোরা ফেরা, আর থেমে থাকা মনে আছে... আর ওই রক, দেওয়াল... আর চেহারা, মানুষের যেমন হয়।
ওই রক-ই কোথাও ফুটপাথ হয়েছে, আর দেওয়ালটা পাঁচিল... অক্ষ হয়ে যায় নিজে নিজেই। আমি তো শুধু হেঁটেছি অক্ষ বরাবর অন্ধকারে। কখনও ভূমি তে পড়ে থেকেছি... কখনও লম্বতে ঠেকেছে পিঠ। তবে দেওয়াল থেকে দূরে সরতে পারিনি সেভাবে। দেওয়ালের থেকে দূরে যেতে পারার সফল প্রয়াস কেই বোধহয় এগিয়ে যাওয়া বলে। আর ভূমি থেকে একটু একটু ওপরে উঠতে থাকাই উন্নতি। সে সব আর হ'ল কই? ওই দেওয়াল কে পাশে রেখে এগোতে এগোতেই রাতের অন্ধকার তৃতীয় মাত্রা চিনিয়ে দেয়। এগিয়ে যাওয়া, আর উন্নতির বাইরেও একটা হাঁটা পথ... একলা নিশীথে।
আসলে এই গ্রাফ, অক্ষ, মাত্রা... সব নিয়মের কথা। নিয়মের জীবন না জীবনের নিয়ম... রাতের পর রাত কেটে গেলেও কোনও দেওয়ালে খড়ির আঁচড়ে তার উত্তর লিখে দিয়ে যাবে না কেউ। আর দিলেও কি সে সার কথা হ'ল? রাতে যে উত্তর দেখলুম, কোনওরকমে হ্যালোজেন আলোয়, বা দেশলাইয়ে আঙুল পুড়িয়ে... সকালের রোদে তাকে চিনতে পারব তো? কি জানি। ভিড়ের মধ্যে সব কিছুই কেমন চেহারা পালটে ফেলে, মিশে যায়। ওই উত্তরও ঠিক মিশে যাবে আমার খোঁজ কে ধাপ্পা দিয়ে। রাত হ'লে আবার সেই দেওয়ালের পাশে যেতে যেতে শিশ্ শুনবো... তীব্র শিশ্... ঘার ফিরে তাকিয়ে... আবার আগুনের বিন্দু, আবার প্রশ্ন... উত্তর... রাতের লুকোচুরি।
অথচ কাউকে ডাকিওনি, খুঁজিওনি কোনও উত্তর। এমনিই হাঁটতে হাঁটতে এসে পড়া এই রক আর দেওয়ালের দেশে। নাহ্... এমনি এমনি তো নয়... একটা জায়গায় যাচ্ছিলাম, রোজই যাই... যাকে চলতি কথায় 'ফেরা' বলে। ভাল ভাবে বুঝিয়ে কি বলে? কি বলে জানি না... তবে ফেরাটা আসল কথা নয়। আর কিছু বলব না, তাই বলি ফিরছি। সেই ফেরার ছদ্মনাম ধরে যেতে যেতেই, এই পথও এক অদ্ভুত আয়নার মত... এই রাতও এমন এক গ্রাফ, যা পরিচিত সিলেবাসে নেই। একদিকের লম্ব ধরে শেখা নিয়ম টপকে দু'দিকেই দেওয়াল লম্ব হয়ে আছে... যমজ এক্স অ্যাক্সিস। শুধু এক্স আর এক্স... দু'দিকে দেওয়ালের মত পাহাড়া দিয়ে সমস্ত রাস্তা জুরে... ক্রমে সরে আসতে আসতে হাঁটার পথটা সংকীর্ণ থেকে সংকীর্ণতর করে দেয়। হাঁটতে হাঁটতে দেখি... চাইলেই দু'টো হাত আর ডানার মত মেলে দিতে পারি না, দেওয়ালে হাত ঠেকে যায়, ছড়ে যায় আঙুল। ভাবি... ভাগ্যিস বড় চেহারার নই... এগনো মুশকিল হ'ত এই ভাবে সরু রাস্তায়। দু'টো দেওয়ালের মাঝে আটকে যাওয়ার মত অবস্থা না হওয়া পর্যন্ত একবারও প্রশ্ন জাগে না কেন? এরই নাম সোশ্যালিজ্ম নয় তো? কি জানি! দু'টো দেওয়াল... দু'টো অক্ষ পাশাপাশি এসে যখন নিস্তব্ধতা ছিঁড়ে হা হা করে হাসে... বুঝতে পারি, এতো কোনও পথই নয়! পথ হ'লে কি কখনও এতটাও সংকীর্ণ হয়ে... যেখান দিয়ে মানুষ এগোতেই পারবে না?... দু'টো এক্স অক্ষ কি কখনও পাশাপাশি থাকতে পারে? গায় গা লাগিয়ে?
পেছন ফিরে দেখি, একা নই... আমার পেছন পেছন আরও অনেকে এই ভাবে এগিয়ে এসেছে নিজেদের মত পথ চিনে চিনে... ফেরার অজুহাত, না কি... কি জানি। যদি এই পথ ধরে এগোতে হয়, সবাই মিলে আঘাত হানলে অন্ততঃ একটা দেওয়াল ভাঙা যায়... অথচ সকলেই সামনের দিকে তাকিয়ে আছে, কেউ একা কি আর দেওয়াল ভাঙতে পারে? সবাইয়ের দৃষ্টি যে এক একটা 'আমি' হয়ে আছে!

জয়দীপ চট্টোপাধ্যায়

জয়দীপ চট্টোপাধ্যায়


ব্যাঙ্গালোর প্রবাসী জয়দীপের কাজই হল উইকেন্ডগুলি এদিক সেদিক ঘুরে বেড়ানো, ফটোগ্রাফিও তার সাথে যুক্ত হয় বটে। গদ্যে পদ্যে সমান সাবলীল জয়দীপ আদরের নৌকার সহ সম্পাদনার কাজ করে চলেন নিঃশব্দে। এবার তার ব্লগ পড়েই বরং পাঠক আরও জানুক তার সম্পর্কে

আপনার মতামত জানান