ঢাকা থেকে

অমিত বান্ধব

 

উগ্রহিন্দুত্ববাদী সংঘ পরিবার বা আরএসএস’র রাজনৈতিক উইং হচ্ছে বিজেপি (আরেকটি হচ্ছে শিবসেনা)। ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত এ দলটি বর্তমানে ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দল (কংগ্রেসের পরে)। এ দলটি ভারতে সব সময়ই মুসলিম নিধনে অগ্রগামী। অযোধ্যার বাবরি মসজিদ ভাঙ্গন ও তার পরবর্তী দাঙ্গা কিংবা গুজরাট দাঙ্গার মত বড় দাঙ্গাগুলো তাদের ক্ষমতার আমলেই ঘটনো হয়েছিল।
আমার নিজের ব্যক্তিগত মতামতের প্রেক্ষিতে ,ভারতের বিজেপি আর এদেশের জামায়াত ইসলামীর মধ্যে বেসিক কোনও পার্থক্য নেই।দুটো দলই ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি করে যাচ্ছে,এই তীব্র সাম্প্রদায়িক দল কে ভারতের আপামর মানুষরা যেভাবে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনলো তাতে করে পরাজিত হয়েছে খোদ ভারতের জনগণ এবং সেই সাথে ক্ষুন্ন হয়েছে তাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনা।ধর্মনিরপেক্ষ দেশ ভারত এই কথাটা কে হয়ত স্বয়ং ভারতের জনগনই সমর্থন করে না।
২০০২ সালে মোদীর জনতা পার্টি যে মুসলিম নিধনে প্রত্যক্ষ জড়িত ছিল তার বহু দলিল রয়েছে। দাঙ্গার সময় মোদীর সহযোগী ভিএইচপি’র নেতারা উগ্র বক্তব্য দিয়ে মানুষকে উত্তেজিত করে তুলছিল। এই ভিএইচপি নেতাদের মোদীর সরকার বাধাতো দেয়ই নাই বরং সহযোগিতা করেছে।
এরকম একটি সাম্প্রদায়িক,উগ্রহিন দুত্ববাদী দল কে ক্ষমতায় নিয়ে এসে ভারত একটি কালো অধ্যায়ের দুয়ার খুলে দিলো কি না তা সময়ই বলে দিবে। আপাতত শুভেচ্ছার মালাবদলের অধ্যায় টা শেষ হোক।

আপনার মতামত জানান