মিডিয়া এবং আন্দোলন

সরোজ দরবার

 

‘কীরে তোদের ওই মুভমেন্টটার আর কোনও ছবি দেখছি না যে?’- পড়শি দেশের বন্ধুটি জানতে চাইল সোশ্যাল মিডিয়ায়।
বললাম, ‘ছবি? তা এযাবৎ কী কী ছবি দেখেছিস?’
জানাল, ‘চুমুর ছবি, মিছিল, পালটা মিছিলের ছবি, প্রতিবাদের ছবি, গণভোট, বহিরাগত, প্রতীকি অনশনে খেলাধুলোর ছবি...’
চুপ করে গেলাম। ওকে বললাম, ‘তুই নানাজনের প্রোফাইলের ছবি দেখিস কেন? পেজ আছে, ওখানে দেখিস।’
বন্ধুকে বলে তো দিলাম। কিন্তু খটকা লাগল নিজেরই। তবে কি...
তার আগে বলে নিই, একটি বিশেষ আন্দোলনের প্রসঙ্গে এ লেখার শুরু হল বটে কিন্তু যে ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের অধিকার, সম্মান রক্ষার্থে এই আন্দোলনের জন্ম দিয়েছেন, লালন- পালন করে নিয়ে চলেছেন সঠিক অর্থে, তাঁদের আবেগ- যুক্তিকে ছোট বা অশ্রদ্ধা করার জন্য এ লেখা নয়। যে সু- সহনাগরিকরা এঁদের মতামতে মন মিলিয়ে অনেকের চলার ছন্দে পা মিলিয়েছেন তাঁদেরও দুঃখিত করাও এ লেখার ধর্ম নয়। বরং লজ্জিত হই এই ভেবে যে, নিজের ছাত্রাবস্থায় কেরিয়ার সর্বস্ব পড়াশোনায় যুক্ত থেকে এই ধরনের কোনও সামাজিক আন্দোলনেই সামিল হতে পারিনি। ছাত্রসমাজের ভিতরে থেকেও আসলে বোধহয় বহিরাগতই ছিলাম। তাই এই ছাত্রছাত্রী এবং সুনাগরিকদের এই অর্বাচীন মুরগী- হৃদপিন্ডের তরফ থেকে অকুন্ঠ অভিনন্দন। তবু সেদিন বন্ধুটিকে ‘টাটা’ জানিয়ে নিজেরই মনে পড়ল, ও যা বলছে, চেনাশোনা মানুষের প্রোফাইলে সে সব তো আমি নিজেই দেখেছি। হ্য়তো আমার চারপাশে তা ঘটমান ছিল বলে আমি আলাদা করে কোনও অর্থ খুঁজতে যাইনি, কিন্তু ওর কাছে ছবিগুলো সম্পূর্ণ অন্য অর্থ ও অভিঘাত নিয়ে হাজির হয়েছে।

...তবে কি আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীরা যতটা না আন্দোলনের আত্মা ছুঁয়ে ছিলেন, তার থেকেও বেশি ছিলেন সেলফি- মোডে? নাকি আন্দোলন নিজেই তার রূপ খুঁজেছে মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মুকুরে? আজ এ তো প্রায় নিত্যসত্যের মতো স্পষ্ট যে, আমাদের কনসেন্টের উপর অনেকখানি দখল নিয়েছে মিডিয়া। রবি ঠাকুর মাথায় থাকুন, যতই বিশেষ দিনে তাঁকে আমরা নিত্যসঙ্গী বলে অভিহিত করি না কেন, সে জায়গাটি ইতিমধ্যে কায়েম করে নিয়েছে নানারকম মিডিয়াই। গীতবিতান ছাড়া দিন চলে, টেলিভিশন ছাড়া চলে না। সুতরাং মিডিয়ার অচ্ছেদ্য ভূমিকাকে মেনে নিয়েই একখানা প্রশ্ন উঁকি দিল, মিডিয়ার গুরুত্বের উপর বিচার করেই কি তথাকথিত আন্দোলনকারীরা মিছিল করে?

মিডিয়া এবং আন্দোলনের মধ্যের সম্পর্ক গত দু’দশকে অনেকখানিই বদলে গেছে। ১৯৮৭ সালে ডির্ক ওইগেমা ও বার্ট ক্লান্দেরমান্স সামাজিক আন্দোলনের উপর গবেষণা করে দেখেন একটি শান্তি মিছিলের উদ্দেশ্যর সঙ্গে যতজন একমত হন, তার মাত্র ৫ শতাংশ মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে মিছিলটিতে যোগ দিতে রাজি থাকেন। বছর কয়েক পরেই, ১৯৯১ সালে, অষ্ট্রেলিয়ায় ‘র্যা লি ফর জাস্টিস-এ সামিল হতে দেখা গেল প্রায় হাজার তিরিশেক সুবিচারপ্রার্থীকে। পথদুর্ঘটনায় শিশুমৃত্যুই যদিও ঘটনাটির ভরকেন্দ্র ছিল, কিন্তু মোটিভেশনের চাকাটি ঘুরিয়েছিলেন, স্যাটলার নামে সে দেশের এক রেডিও সঞ্চালক। জাস্টিসের জন্য লড়াইয়ের সূচনাটা তিনিই করেন তাঁর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। পরিণতি দেখিয়ে দেয় গণমাধ্যমের অংশগ্রহণে সামাজিক আন্দোলনের চেহারা কীভাবে বদলে যায়। ১৯৯৬ সালে বেলজিয়ামের বিখ্যাত ‘হোয়াইট মার্চ’-এ সামিল হন প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ। সেখানেও নেপথ্যের কারিগর হিসেবে স্বীকৃতি পায় মিডিয়াই। ইউক্রেনের ‘অরেঞ্জ রেভলিউশন’, কিরগিজস্তানের ‘টিউলিপ রেভলিউশন’-এও মিডিয়ার বড় ভূমিকা ছিল।

যদিও যে কোনও সামাজিক আন্দোলনের পক্ষেই মিডিয়ার বদান্যতা পাওয়া মোটেও সহজসাধ্য ব্যাপার নয়। আন্দোলনের জন্ম নেয় কম সংখ্যক মানুষের মধ্যে। তার তাই মিডিয়াকে প্রয়োজন পড়ে আরও আরও মানুষের কাছে পৌঁছনোর জন্য। স্বল্প সংখ্যক মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে একটি ভাবনাকে গণতন্ত্রীকরণের স্বার্থেই যে কোনও আন্দোলন মিডিয়ার জানলায় মুখ রাখে। কারণ তার একদিকে আছে বিপুল সংখ্যক মানুষ যাঁরা হয়তো একই ভাবনায় ভাবিত হয়ে জানলার এপাশে চলে আসতেও পারেন। কিন্তু রাজনৈতিক আন্দোলন ছাড়া যে কোনও প্রতিবাদের ক্ষেত্রেই মিডিয়া ‘প্রোটেস্ট প্যারাডাইম’ মেনেই কাজ করে। একটি আন্দোলনকে দেখা বা কভার করার ক্ষেত্রে মিডিয়ার সাধারণ কতগুলো প্রবণতা থাকে। ১৯৮৪ সালে জোসেফ চ্যান এবং চিন-চুয়ান লি এই প্যারাডাইমের যে ধারণা দেন, তাতে দেখা যায় মিডিয়ার কভারেজের ফলে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্য থেকে বিধেয়গুলিই প্রকট হয়ে ওঠে। ম্যাক্লয়েড এবং হের্টোগ এই ধারনাকে যখন আরও ব্যাখ্যা করেন (১৯৯৯), তখন স্পষ্ট হয় বস্তুত মিডিয়া তার নিজের মতো করে আন্দোলনের একটা বাহ্যদৃশ্যরূপ তুলে ধরে। আন্দোলনের আসল উদ্দেশ্য থেকে কোথায় কী নাটকীয় উপাদান আছে মিডিয়া তারই খোঁজ করে। এবং ক্রমাগত গোটা আন্দোলনটাই একরকমের প্রান্তিকতায় আক্রান্ত হয়। এমনকী কখনও কখনও তা আন্দোলনকারীদেই উলটো ভয় প্রদর্শনকারী বা থ্রেট হিসেবে তুলে ধরে। সুতরাং রাজনৈতিক ইস্যু পকেটে না থাকলে মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক পাতানোর মূল কিছু সমস্যা লেগেই থাকে।
তাই মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার পাশে পাশেই সামাজিক আন্দোলনকারীদের অন্যতম ভরসার জায়গা নিল সোশ্যাল মিডিয়া। ৯/১১ এর ঘটনার পর থেকে ব্লগের কদর বেশ খানিকটা বেড়ে গেল। রাজনৈতিক ব্লগের তুলনায় সাধারণ অধিবাসীর ব্লগের চাহিদা ইন্টারনেট পাঠকদের কাছে বাড়তে থাকল। প্রসঙ্গত নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফজাইয়ের কথা বলা যায়, বিবিসি উর্দুতে ব্লগের মাধ্যমেই সারা বিশ্বে তাঁর কথা ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই সঙ্গে একজন পরিচিত মানুষ যখন টুইট করে কিংবা ফেসবুকে তাঁর মতামত জানান তখন তাঁর পরিচিতদের মধ্যে এর প্রভাব মেইন্সট্রিম মিডিয়ার কভারেজের থেকেও বেশি হয়। এক ধরনের লুকনো শক্তির যেন খোঁজ মিলল। আর সব থেকে বড় সুবিধা তা সবাই পেতে পারেন। প্রথাগত মিডিয়ার মতো তা দুর্লভ নয়। আরব বসন্তের হাওয়া মন্দ কি মধুর ছিল সে তো ইতিহাসের বিচারের বিষয়, নেপথ্যে যে সোশ্যাল মিডিয়ার বড় ভূমিকা ছিল তা অবশ্যই স্বীকার করা যায়। সুতরাং যে কোনও বিষয়ে আন্দোলনাকারীদের হাতে এল মেইনস্ট্রিম মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়া।



কিন্তু মিডিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পাতানোর একটা বিপদও আছে আন্দোলনের। একটা সমীক্ষায় দেখা গেল, ১৯৮২ সালের থেকে ১৯৯১ সালে ওয়াশিংটন-ডিসি শহরে প্রতিবাদী আন্দোলন হয়েছিল ৫০% বেশি, কিন্তু মিডিয়া কভারেজ হয়েছিল ১৬% কম। এই ঘটনা আর একটা প্রবণতার জন্ম দিল, আন্দোলনকারীরা যেনতেন প্রকারেণ প্রতিষ্ঠিত মিডিয়ায় জায়গা খুঁজে নিতে চাইলেন। ক্রমশ এই প্রবণতা একরকমের প্রতিদ্বন্দ্বিতারও জন্ম দিল। অর্থাৎ কোনও আন্দোলন মিডিয়ার কাছে কত বেশি পৌঁছতে পারবে তার একটা চোরাটান আন্দোলনের জন্মলগ্ন থেকেই সম্ভবত থাকে। এই প্রেক্ষিতে দুটো হিন্দি সিনেমার কথা মনে পড়ছে। প্রথমটি ‘নো ওয়ান কিলড জেসিকা’(২০১১)। যেখানে অবিচারের প্রতিবাদে মিডিয়া বড় ভূমিকা নিয়ে সুবিচার এনেছিল এবং অনেক সংখ্যক মানুষকে সঠিক বিচারের স্বপক্ষে আনতে পেরেছিল। দ্বিতীয়তটি হল ‘সত্যাগ্রহ’(২০১৩)। যেখানে সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করা হচ্ছে মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। সাংবাদিকের ভূমিকায় করিনা কাপুর সেখানে ফেসবুক পেজের লাইকের সংখ্যার উল্লেখ করে তাঁর এডিটরকে আন্দোলনের গুরুত্বকে বোঝাতে চেয়েছিলেন। এই সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতার নমুনা।
এখান থেকেই আবার আমরা ফিরে যাই সেই উঁকি মারা প্রশ্নের দিকে। সত্যিই কি, মিডিয়ার গুরুত্বের উপর বিচার করেই কি তথাকথিত আন্দোলনকারীরা মিছিল করে? নিশ্চয়ই না। আন্দোলন তার নিজের স্বার্থেই মিছিলের আয়োজন করে। কিন্তু পাশাপাশি মিডিয়াকে উপেক্ষা করাও কোনও বাস্তবুদ্ধির পরিচায়ক নয়। মধ্যিখান থেকে যেটা চোখে পড়ে তা অনেকটা ডিজাইনড প্রোগ্রামের মতো। যেখানে আন্দোলনের অন্তরঙ্গের উপর বহিরঙ্গের সাজটা মিডিয়ার জন্যেই তৈরি করা। এবং অংশগ্রহণকারীর অনেকাংশও আন্তরিক সমর্থনের উপর এই মিডিয়ার মেক আপটা ফেলে দিতে পারেন না। সোশ্যাল মিডিয়ায় কিন্তু সে দায় ছিল না। ঘটনাচক্রে সেখানেই এর প্রকাশ অনেক বেশি। একটা ছোট্ট নমুনা দিই যে আন্দোলনের প্রসঙ্গ দিয়ে লেখা শুরু হয়েছিল। বহুদিন পর ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে পা মিলিয়েছিলেন রাজ্যের বহু সহনাগরিক। বহুজন নিজের প্রোফাইলে এই সহমত হওয়ার কথা ভাগাভাগি করে নিয়েছিলেন। কিন্তু কেউ কেউ আবার ডিসক্লেমার দিয়ে জানিয়েছিলেন, কেন তিনি মিছিলে যেতে পারেননি, কোন কোন দায়বদ্ধতার কবলে পড়ে শত ইচ্ছা সত্ত্বেও তিনি যেতে পারলেন না। প্রশ্ন ওঠে, ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে আছেন, এটুকু বললেই কি যথেষ্ঠ হত না? নাকি পরিচিত ১০ জনের মধ্যে ৬ জনই যখন এক স্রোতে তখন স্রোতে মিলতে না পেরে, সামাজিক ইমেজ হারাবার আশঙ্কাতেই কি এই ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতার কথা তুলে আনতে হল তাঁকে? তাহলে মূল আন্দোলনটা বড়, নাকি আন্দোলনে আমি ছিলাম কি ছিলাম না সেটাই বড় হয়ে দাঁড়াল? ধরা যাক, কেউ একজন প্রতীকি অনশনে অংশ নিয়েছেন। তিনি তা জানাতেই পারেন। কিন্তু তিনি যখন সেখানে ফুটবল খেলেছিলেন না গাছের ডাল ভেঙেছিলেন তার একটার পর একটা ছবি পোস্ট করতে থাকেন, তখন প্রশ্ন জাগে কোনটা আন্দোলনের মুখ? যে ছেলেটি মার খেয়েছিল, যে মেয়েটির পোশাক ছিঁড়েছিল, যে দাবি জনস্রোত তৈরি করেছিল তার সঙ্গে এগুলোর কী সম্পর্ক! ক্রমাগত মনে হতে থাকে মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার যে ‘প্রোটেস্ট প্যারাডাইম’ থেকে বেরিয়ে আসার বিকল্প হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়া আন্দোলনকারীদের হাতে ছিল, অংশগ্রহণকারীদের একাংশ নিজেদের কাজে এই মিডিয়াকেও সেই ফাঁদেই ফেলে দিচ্ছেন। ফলত পড়শি দেশের কোনও বন্ধুর কাছে আন্দোলনের গুরুত্ব অনেকটাই লঘু হয়ে যেতে বাধ্য। সে তো আর দেখতেই পেল না, যখন প্রোফাইলে প্রোফাইলে ছবি দেওয়া বন্ধ, যখন বড়মুখ করে নিজের অংশগ্রহণের ফলাও স্ট্যাটাসের ফোয়ারা ফুরিয়েছে, তখনও কিছু ছাত্র-ছাত্রী নিজেদের অবস্থানে অনড় থেকে রাস্তার উপর বসে আছেন কালো পতাকা হাতে নিয়ে। মনে পড়ে ক’বছর আগেই যাঁরা মিডল নেম হিসেবে ‘হার্মাদ’ ব্যবহার করতেন আজ তাঁদের অনেকেরই নাম মধ্যপদলোপী। আজ যাঁরা একই এরকম ভাবে ‘বহিরাগত’ ব্যবহার করেন, তাঁরাও হয়তো অদূর ভবিষ্যতে একই পথে হাঁটবেন। সমর্থনের প্রকাশের প্যারামিটার কি তাহলে এগুলোই? আর তা যদি এভাবেই বদলে যায় তাহলে হয় সমর্থনটাই, আত্মপ্রচার কি না সে প্রশ্নের মুখে পড়ে। অথবা একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে থাকলে মূল ঘটনাটাই খেলো হয়ে যায়।

আন্দোলন আজও সদর্থক কোনও কিছু অধিকারের লড়ে যায়। নাগরিক কবিয়াল আমাদের ধ্রুবপদ বেঁধে দিয়ে বলেছিলেন, ‘যে যেখানে লড়ে যায় আমাদেরই লড়া’। তাই সমস্ত লড়াইয়ের জন্য, সমস্ত আন্দোলনের জন্যই তোলা থাক আমাদের অভিনন্দন। কিন্তু আন্দোলন যেন আমাদের ব্যক্তিগত অঙ্গশগ্রহণের বিজ্ঞাপন না হয়ে ওঠে। যেখানে নিয়ন্ত্রক নেই, সেখানে নিজের হাতেই নিজের নিয়ন্ত্রণ থাকে। নিজের গোটাকয় সেলফি আমরা নয় আন্দোলনের স্বার্থে লোকাল ডিস্কেই জমিয়ে রাখতে পারি। তাতে অন্তত রুমাল-বেড়ালে গোলমালটা হয়ে যায় না।
সেদিন বন্ধুটিকে যত তাড়তাড়ি পারি ‘টা টা’ জানিয়ে দিয়েছিলাম। যা বলতে চেয়েছিলাম, পারিনি, এই ক’টা লাইনে লিখে রেখেছিলাম, তুলে দিলাম-
উদ্দেশ্যরা এখনও জারি আছে,
কিছু হবে হবে আশায়...

বিধেয়রা বহিরাগত, তারা
ভরিয়ে দিচ্ছে নোটিফিকেশন

উনি প্রতিবাদে ফুটবল খেলেছিলেন;
‘আহা! কী চমৎকার!’
‘কী বিপ্লবপ্রবণ!’

ফটো কমেন্টে ভাসছে,
ভেসেই যাচ্ছে

গণ-কনভেনশন

আপনার মতামত জানান