বাধ্যমিকের রেজাল্ট

অনীক চক্রবর্তী

 



অতঃ গোপালঃ কথা

গোপাল বড় সুবোধ বালক- কথাটা সে নিজে আর বাড়ির লোকে জানিত। বাধ্যমিকে জেলা হইতে ফার্স্ট হইবার পরে আলিপুর টু আলাস্কা, সক্কলে জানিয়া গেল। গোপালের বাপ সাতখানা সাবজেক্টে তিনখানা করিয়া আর আডিশনালে দু’খানা- মোট তেইশখানা মাস্টার রাখিয়াছিল। বাড়িতে মাস্টারদের ছোটোখাটো জটলা লাগিয়া থাকিত সদাসর্বদা। নিজেদের টার্ন আসিবার আগে তাহারা ‘ষোড়শ মহাজনপদ’ থেকে ‘সাইন থিটা’ হইয়া ‘হুগলি নদীর তীরে পাটশিল্পের কারণ ও ভবিষ্যৎ’ লইয়া আলোচনায় মগ্ন থাকিত। আজ যখন প্রতিভায়, ঔজ্জ্বল্যে, শ্রমে, উৎকর্ষে গোপাল সসাগরা পৃথিবীর একচ্ছত্র সম্রাট হইয়া টিভি চ্যানেলে ল্যাংচা খাইতেছে তখন গর্বে সেই মাস্টারদের ছাতি ফুলিয়া জন সিনা, বাপমায়ের মুখ নতুন পাঁচটাকার কয়েন আর আত্মীয়স্বজন- পাড়াপ্রতিবেশীর হৃদয় ফুকুশিমা হইয়া গেছে। গোপাল ইতিমধ্যেই ‘ঘাটফাইন্ডারে’ ভর্তি হইয়াছে- তাহাকে উচ্চবাধ্যমিক আর জয়েন্টের ঘাটেও নিজের সাফল্যের টাইটানিকটি লাগাইতে হইবে। বাপমায়ের চকচকে পাঁচটাকাগুলি সে অটোভাড়া দিতে জমাইয়া রাখে।
যাইহোক, আপাতত টিভি অ্যাঙ্কর তাহাকে একের পর এক প্রশ্নবানে ভীষ্ম করিয়া ফেলিয়াছে- সে কয়ঘন্টা পড়ে, জীবনে কী হইবে, কোন পাশ ফিরিয়া ঘুমায়? তার ফেভারিট সিনেমা- হিরো- আইডল- ক্রিকেটার- বই- ফেয়ারনেস ক্রীম- জাঙিয়ার বিজ্ঞাপন কোনটি, কী করিলে কী কী না-করিলে বাধ্যমিকে ফার্স্ট হওয়া যায়...ইত্যাদি। গোপাল শিখিয়াছে জীবন মানেই প্রশ্ন এবং তার মধ্যে নৈর্ব্যক্তিক ও রচনাধর্মীর উত্তর মুখস্থ করিয়া রাখাই সাফল্যের চাবিকাঠি। বোধমূলক ও জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ব্যাকডেটেড, তাতে নম্বর উঠে না। এগুলি সে সযত্নে এড়াইয়া যায়। অতঃপর সে ইনভ্যারিয়েবলি পনেরো ঘন্টা পড়ে (কিন্তু পড়ার সময় নয়,গভীরতাই যে আসল তাহাও বলিতে ভুলিলো না; ম্যানফোর্স তাহার পরবর্তী কনসেপ্ট পাইয়া গেল), সে বড় হইয়া কার্ডিওলজিস্ট হইবে ও মানুষের সেবা করিবে (মানুষের সেবা করিবার জন্য ইহা ছাড়া গত্যন্তর নাই), তার ফেভারিট নায়ক- মহানায়ক (এই উত্তরে টালিগঞ্জ হইতে ঘাটাল পর্যন্ত সক্কলে ঘাঁটিয়া গেল), ফেভারিট খাবার- মায়ের হাতের রান্না (গোটা গোপালচরিতে এই প্রথম ও শেষবার তার মায়ের এন্ট্রি ও এক্সিট ঘটিল; ফার্স্টবয়কে রান্না করিয়া মুখের সম্মুখে তা সাজাইয়া ধরা ছাড়া তাহার মায়ের আর কী কাজ থাকিতে পারে)। বাধ্যমিকে ফার্স্ট হইবার জন্য যে ‘কায়া’ প্রকাশনীর বইগুলি পড়িতেই হইবে, সে তাহাও জানাইল। তাহার আইডল বলিয়াছে, “গীতা পাঠ অপেক্ষা ফুটবল খেলা ভালো”- সে ‘গীতাপাঠ’ কী বস্তু জানে না, তাই জীবনে বারকয়েক ফুটবলে লাথি মারিয়াছিল- তাহাও জানাইল। প্রসঙ্গত, সে জীবনে খুব কম জিনিসই জানে ও বোঝে। বাধ্যমিকে ফার্স্ট হইলেই জীবনের নব্বুই শতাংশ কাজ পূর্ণ, তাহার দুই বচ্ছর বাদে একশ শতাংশ। তারপর বাকি জীবনটা সে উন্নয়নের শ্যামাসঙ্গীত গাহিয়া কাটাইয়া দিবে- এই মোটামুটি তাহার জীবনের প্ল্যান। সে কাকাবাবু- পথের পাঁচালী- ফেলুদার ধার মাড়ায়নি, জীববিজ্ঞান বই বন্ধ করিয়া পড়া ধরিলে বাদুড় আর প্রজাপতির ডানার পার্থক্য করিতে পারে না, সে ‘ম্যাপ পয়েন্টিং’ এর বাইরে পৃথিবী দেখেনি। তাহার বাপ ‘কার্টুন নেটওয়ার্ক’ কাটিয়া দিয়াছে আজ দুই বচ্ছর হইল। সে শুধু মাঝেমধ্যে সন্ধ্যাবেলায় ‘মিষ্টিকুটুম’ দেখে। তাতে তার কী উৎপাটিত হইয়াছে? আজ সারা পৃথিবীর মানুষের ‘গোপাল গোপাআল’ শীৎকারে কান পাতা দায়। রাষ্ট্রপুঞ্জ তাহাকে পৃথিবীর একশত সপ্তম তম ‘আজুবা’ হিসাবে ঘোষণা করিয়াছে। লোকে বলে তাহার ব্লাডগ্রুপ A+, চশমার পাওয়ার +9.99, ঢেকুরের কম্পাঙ্ক 700 হার্জ।

ব্যাটিং লাইন আপে বাকিরা

এতো গেল এক মিলিয়ন পরীক্ষার্থির মধ্যে অতিমানব ওপেনারের কথা। ইহা ছাড়াও যে বিশাল মিডল অর্ডার ও টেল এন্ডাররা পড়িয়া আছে তাহাদের দিকে এবার তাকানো যাক। প্রবোধ পড়াশুনায় আপার মিডল অর্ডারেই নামিত। লোকে বলিত- ছেলেটা খানিক অন্যরকম। ছেলেটা শচীনে থাকিত, হোচিমিনেও থাকিত। প্রবোধ শুধু পড়িতই না, সে জানিত, বুঝিত। বৃষ্টি আসিলে কবিতা লিখিত, চেয়ারও মুছিত। সে যে বড় হইয়া জ্ঞানের আকাশে লুব্ধকের মত জ্বলিবে, এই বয়সেই তাহাকে দেখিয়া বলিয়া দেওয়া যায়। বাধ্যমিক যে স্বাক্ষরতার হার বাড়াইবার পরীক্ষা- ইহা সে বিলক্ষণ জানে। ইহা লইয়া সে ‘তোমার জীবনের একটি স্মরণীয় উপলব্ধি’ রচনায় খানিক দুই লাইন লিখিয়াও আসিয়াছে। তাহার চারিপাশে ফ্ল্যাশ বাল্বের ঝলকানি সে চায় না। সে চায় জানিতে, বুঝিতে, মানুষের মত মানুষ হইতে। তাহার বাপ-মা ব্যাপারটা লইয়া যারপরনাই চিন্তিত। ছেলে যে চাহিলেই একটা কিছু হেস্তনেস্ত করিয়া ফেলিতে পারে- ইহা তাহারা বিলক্ষণ জানে। কিন্তু সায়েন্স গ্রুপে 298 পাওয়া ছেলে আর্টস পড়িবে ও দেশোদ্ধার করিবে ভাবিয়া তাহাদের রাত্রে ঘুম নাই। প্রবোধ বাপ-মা কে অ্যাল্প্রাজোলাম খাওয়াইয়া শেষমেষ তাহাই করিল। সে তাহার ডাইরীতে লিখিলো-
যাহারা তোমায় কথায় কথায় বলিয়াছে শুধু ‘জেতো’
তুমি কি তাদের ক্ষমা করি দিবে, নাকি দাগি দিবে ‘ভেতো’?

মহেশ মিডল অর্ডারে পারফেক্ট যুবরাজ, শিং নাই যদিও। তাহার বাপ বাড়িতে নুন মজুত করিয়াই রাখে, পাছে নুন আনিতে গিয়া পান্তা না ফুরাইয়া যায়। বাপের চায়ের দোকান। মাঝেমধ্যে স্বপ্নে দেখেন প্রধানমন্ত্রী হইয়া দক্ষিণ মেরুতে স্কি করিতেছেন। তবে মহেশ আজ যখন চারখানা সাবজেক্টে লেটার পাইয়া চারের পাতায় নাম তুলিয়াছে এবং বলিয়াছে সে আরও পড়িবে তখন তার বাপ বলিয়াছে নিজের ভিটা বিক্রি করিয়া হইলেও তিনি পড়াইবেন। লোকে আশ্চর্য হইয়া বলাবলি করিতেছে, ‘ছেলেটা গরীব কিন্তু কী মেধাবী’! তাহার বাড়ির সামনে প্রতি বৃহস্পতিবার হাট বসে। তাতে মোরগ-লড়াই হয়। তাহার বাপ তাহাকে দেখাইয়া বলে, ‘এই দেখ, হয় জিত নয় মৃত্যু’। মহেশ বুঝে মানুষ মোরগ লড়াইবে, আনন্দ করিবে, মাংস খাইবে- এই জীবনচক্রের বাইরে মোরগের জীবনে কোনো সত্য নাই, অস্তিত্ব নাই। সে তাহার ডাইরী জুড়িয়া দেশ-বিদেশের ‘ইন্সপিরেশনাল কোট’ লিখিয়া রাখে (কিছুটা বয়স বাড়িলে যেগুলির পাশে সে ‘ঢপের চপ’ লিখিয়া রাখিবে)। তবে মহেশ জানে শরৎ চাটুজ্জে তাহাকে জিতিতে দেয় না, গরীবিয়ানার ক্যানসার তাহাকে বিশ্বকাপার হইতে দেয় না। কিন্তু সে লড়াই, জেদ ও মেধার ত্রিফলায় একদিন পাটেকর হইবে ও জীবনের আইপিএলে সর্বোচ্চ বিড পাইবে- এই স্বপ্নে বার খাইয়া ছুটিয়া চলে। সে গোপালকে ঘৃণা করে, প্রবোধকে হিংসা। আর নিজেকে কর্ণ ভাবিয়া বহুভুজের বিন্দুগুলিতে যুক্ত হইতে থাকে।
অজিত একেবারে পারফেক্ট টেল এন্ডার। পড়াশুনায় তাহার দ্বারা যে কিছুই হইবার নহে তাহা বাড়ির লোকে ও স্কুলের মাস্টার দায়ীত্ব লইয়া তাহাকে বুঝাইয়া দিয়াছে। সে ‘ক’ অক্ষর গোমাংস (গোমাংস ভক্ষণ ব্যান হইবার ফলেই ও পথ মাড়ায়নি নাকি কে জানে)। সে আগরকার হইয়া ছয় ইনিংসে শূন্য করিয়াছে, কুমার হইয়া ভারতের ফ্লপ্তম অভিনেতা হইয়াছে; শুধু অজিত হইয়াও শান্তি নাই, ক্লাসের মনিটর ব্যোমকেশের শাগরেদগিরি করিতে হইয়াছে। সে যে বাধ্যমিকে ধ্যাড়াইবে তাহা ডিডি গেঞ্জি না পরিয়াও চোখ বন্ধ করিয়া বলিয়া দেওয়া যায়। কিন্তু অজিতের প্লটে একটু ট্যুইস্ট আছে। তাহার বাপের মহাজনী কারবার। চিটফান্ড খুলিতে চাহিয়াছিলেন, বাজার মন্দা দেখিয়া সরিয়া আসিয়াছেন। অজিত কে তিনি বুঝাইয়াছেন- মানুষ একই সাথে চমকাইতে ও ভুলিয়া যাইতে চায়। তাই অজিত এই বয়সেই বাজে বকিবার আর্ট রপ্ত করিয়াছে। দিবারাত্র পপকর্ণের ন্যায় তাহার বাতেলা ফুটিয়া বেরায়। সে জানে মানুষ বুঝে কম, মনে রাখে আরোই কম। তাই সে বিভিন্ন হরেন্ডাস বকিয়া, মানুষকে চমকাইয়া ও তারপর জন্মসূত্রে প্রাপ্ত নিজের সোনার চামচটি দিয়া মানুষকে ঘোল খাওয়াইয়া এ পৃথিবীতে জিতিয়া যাইবে- এই মোটামুটি তাহার প্ল্যান। ধরা পড়িলে ‘ভুল হইয়া গেছে’ বলিয়া দিলেই হইল। তাই অজিতের জীবনে বাধ্যমিকের রেজাল্ট তাহার দ্বিপাক্ষিক প্রেম ও ব্রেক-আপের মতনই কমন। ইহা লইয়া সে কিছুমাত্র উদ্বিগ্ন নহে। সে গ্যালাক্সির নতুন মডেলে ক্যান্ডিক্রাশ খেলিতে খেলিতে কমার্সের ফর্ম তুলিয়া আনিয়াছে।



আবার বছর কুড়ি পরে...

হ্যাঁ, তাহাদের দেখা হইল বইকি। দেখা হইল বিভূষণ প্রাপ্তির মঞ্চে। গোপাল এযুগের শ্রেষ্ঠ ডাক্তার। মেডিকাল কলেজ গুলিতে সিট বাড়িয়া সাড়ে সাতশ হওয়ায় বা বাইপাসের ধারে নার্সিংহোম শিল্পের প্রসারে তাহার যথেষ্ট অব্দান আছে। তাহারই চেষ্টায় স্বাস্থ্যে আজ বিপ্লব আসিয়াছে- মানুষ ঘাম দিলেও ceftriaxone খায়। সে কবিতা লিখিয়া এবং অবসরে চেয়ার মুছিয়া আজ এইখানে। তাহার ছেলে স্টেটস এ থাকে, তাহার কবিতা বাধ্যমিকের সিলেবাসে পড়ানো হয়। আজ তাহার চারিদিকে ফ্ল্যাশ বাল্বের ঝলকানি। সে গদগদ কণ্ঠে আবৃত্তি করিতেছে-
যাহারা তোমার উন্নয়নেও ছুঁড়িয়া মারিছে কাদা
তুমি কি তাদের nill করি দিবে, নাকি দেবে নীল-সাদা?
সে যে পুরষ্কার মঞ্চে কেন গোপালের গাল টিপিয়া ‘শালা’ বলিয়াছে তাহা আজ সন্ধ্যার টক-শো’র বিষয়।
অজিতও আসিয়াছে। সে আজ প্রদেশের সেরা শিল্পপতি। তবে সে কলেজে চুটিয়ে সিএমপিটি করিবার পর চাইলেই যাচ্ছেতাই হইতে পারিত- প্রফেসর শঙ্কু টু ভেঙ্কটেশ প্রসাদ। কে আটকাইত তারে। তার চেষ্টাতেই আজ প্রদেশে শিল্পের টাইফুন, কর্মসংস্থানের সুনামি। যাইহোক, সে পুরষ্কার লইয়া গোপাল ও প্রবোধ কে উদ্দেশ্য করিয়া তাহার ব্লেজারের পকেটে হাত ঢুকাইলো কেন তাহা কে বলিতে পারে? উহার মানে কি- আমি চাইলেই তোমাদের পকেটে রাখিতে পারি? ইহাও টক-শো’র বিষয় বটে। তবে ইহারা তিনজনেই যে অনুষ্ঠান শেষে এ শতকের একমেবাদ্বিতীয়াম, অসামান্য প্রতিভাধর গায়কের সহিত সেলফি তুলিয়া রাখবে তা আন্দাজ করিতে বেগ পাইতে হয় না।

মহেশ এই মঞ্চে ছিল না। তাহার পোস্ট-বাধ্যমিক জীবন সংক্ষেপে বলিয়া ফেলি। উচ্চ বাধ্যমিকে আশি শতাংশ আসিলেও তিনবারের চেষ্টাতেও জয়েন্টের শিকে ছিঁড়িল না। অতঃপর এক অগা কলেজ হইতে অনার্স। চারবার এসএসসি দিয়া প্যানেলভুক্ত হইয়াও ডোনেশানের আট পেটি জোগাড় করিতে না পারিয়া বাড়িতে শুইয়া থাকিল বছর চারেক। তাও আত্মহত্যা করিল না। অবশেষে বউ-মেয়ের পেট ও নিজের ফুসফুস ভরিবার জন্য বাধ্যমিকের ব্যাচ পড়াইতে আরম্ভ করিল। বেশ নাম ও হইয়া গেল। দুই দিন আগে এ বছরের বাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরাইয়াছে। তাহার কোচিং সেন্টার হইতে গোটা ছয়েক গোপাল ও তাদের বাপ-মা টিভির ওপাশে পৌঁছাইয়াছে। টিভি অ্যাঙ্করের ‘তোমার কেমন লাগিতেছে’ প্রশ্নের উত্তরে তাহাদের চোখে জল, মুখে সরভাজা ও বুকে পৃথিবী জিতিবার স্বপ্ন ছটফট করিতেছে।
শুধু তাহার মেয়েটি বাংলায় ফেল করিয়া রেডিয়াল আর্টারি কাটিয়া বসিয়াছে। হয়তো প্রবোধের কবিতার মর্মার্থ লিখিয়া আসিতে পারে নাই- কে জানে। কিন্তু তাহার AB- গ্রুপের রক্ত আর জোগাড় করা যায় নাই, মেয়েটি মরিয়াছে। আজ টিভির ব্রেকিং নিউজে যখন মহেশকে ধরা হইলো এবং সাংবাদিক ছলোছলো চক্ষে জিজ্ঞাসা করিলেন, ‘আপনার কেমন লাগিতেছে?’, মহেশ তখন চুপ থাকিয়া এক সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিতে মোরগ-লড়াই দেখিতে লাগিল। এই পৃথিবীর বধ্যভূমিতে তাহার মত মোরগগুলি বাধ্য ছাত্র হইয়া শুধু লড়িয়াই যায়, জিতিতে আর পারে না…

আপনার মতামত জানান