এরোটিকা : ৩টি পুনরাধুনিক কবিতা

অনুপম মুখোপাধ্যায়

 






যে কোনো দরজা। থেকে মাংসের খরচ
উঠে আসে। আরো খোলা দরজার হয়ে

যেন ১ মন্ত্র যন্ত্র। তার বিস্তার পেয়েছে
পায়রার দিব্যি তার যতটা পাওয়ার

গুদ। থেকে দ্যাখা দেয় খিলের আদল
বাঁড়া কাঁদে। যন্ত্রণার নাম বেড়ে যায়

আরে রাণী। যদি তুমি রাজা হতে চাও
কোমরের অহেতুকে পকাৎ রেখো না







সেই হোল দেহ দান যেটা শরীরে ছড়ায়
অনেক অজানা। আর অনেক অজানা

পাখি যত ঘন হয় ডিম নেমে আসে
ঢেউ থেকে মুখ তোলে মরা প্রজাপতি

গীর্জা নয়। ওই ঢেউ মসজিদ নয়
মন্দিরের মাঠে কোনো পাখি তো পড়েনি

সেই হোল বুক যার নীচে দুধ আছে
টেপা হোলে সেই দুধ রক্ত হতে চায়







কেউ কি সাহায্য করে বিছানায় যেতে
কেউ কী সাহায্য করে। বালিশ ফেরাতে

বালিশে যে থুতু লাগে গন্ধ তার ভালো
চাদরের দাগ ছোপ কিছু। চীৎকার। কামড়

কাটা দাগ। চেরা ফাটা দাগ। হাসি অসম্ভব
চাবুক মারেনি কেউ। লজ্জা মেরে গেছে

জলে পোকা চেয়ে থাকে সম্মোহিত যথা
বোতাম ছিঁড়েছে। যেন অভিজ্ঞতা হোল

ভার আর ধার নিয়ে। ছিঁড়েছে যে রোদ
তার চাপে ভাবে সাদা বাড়ি সাদা হয়ে আছে


আপনার মতামত জানান