বালখিল্য ভাষার আঙ্গিকে গভীর বোধের চলাচল

আবেশ কুমার দাস



নামে যায় আসে অনেককিছুই। বিশেষত নাতিসাধারণ নামকরণের প্রতি বরাবরই ক্রিয়াশীল থেকে যায় কথাসাহিত্যের তন্নিষ্ঠ পাঠকের এক গূঢ় অনুসন্ধিৎসা। আর যদি একটি আস্ত গল্পের বইয়ের নাম হয় ‘জেড মাইনাস’ তবে তো কথাই নেই। এই ‘জেড মাইনাস’ কিন্তু আবার কোনও পার্থিব বস্তুসত্তাও নয়। গল্পকার শৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উক্ত সংকলন গ্রন্থটির নাম-গল্পে চোখ রাখলেই দেখা যাবে উক্ত শব্দবন্ধটি আদপে কাহিনির কেন্দ্রীয় চরিত্র অলোকের অন্তর্মুখী ভাব

আরও পড়ুন

অনুপম কিছু পুনরাধুনিক আখ্যান

আবেশ কুমার দাস

অনুপম মুখোপাধ্যায়ের পরিচিতি মূলত কবি হিসেবেই। সমসাময়িক বাংলা কবিতার ক্ষেত্রে ‘স্বনির্মিত’ (বা স্বচিহ্নিত) পুনরাধুনিক শৈলীর চরিত্র প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য—অধুনান্তিক সংসর্গকে অতিক্রম করে (কখনও কখনও অধুনান্তিকের কিছু কিছু অস্পষ্ট জলছাপকে বহন করেও) কোনও সাহিত্যবস্তুর নব্যতর ভঙ্গিমায় আধুনিকতাপ্রাপ্তিই পুনরাধুনিক পরিণতি। এই ভাবনার সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই যেন আদরের নৌকা থেকে সাম্প্রতিককালে প্রকাশিত এই কবির প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘বৃষ্টিকে কেউ চিঠি লেখে না

আরও পড়ুন

প্রচেত গুপ্তর ‘সাগর হইতে সাবধান’….

সায়ন্তন মাইতি


সিস্টেমের বিরোধী কে নয় বলুন তো? আজকাল তো এঘর ওঘর থেকে প্রতিবাদী জন্মেই চলেছে। আবার, যারা প্রতিবাদের প্রতিবাদ করছে, বলছে “এদের কি খেয়ে দেয়ে কাজ নেই?” তারাও প্রতিবাদী। একটু ভেবে দেখুন তো, এতজন প্রতিবাদীর মধ্যে কজন সুখে থাকে?

সাগর কিন্তু সুখে আছে। একদম সুখবিলাসী প্রাণী। আর হ্যাঁ, সাগর একজন প্রতিবাদীও। প্রচ্ছন্ন প্রতিবাদী। প্রতিবাদী শুনলেই কেমন লাঠিসোটা নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ার কথা মনে হয়। কিন্তু না, সাগর তেমন নয়। অথচ পরতে পরতে বিরুদ্ধাচরণ করে

আরও পড়ুন

বই আলোচনা - ‘পাঁচটি নভেলা’ (সৃষ্টিসুখ)

সায়ন্তন মাইতি



এককালে শৌখিন পাঠকরা শুধুমাত্র নিজেদের সাড়ম্বর জীবনযাত্রার সাথে খাপ খাওয়াতে বই-এর উপর বেশ জমকালো রঙচঙে মলাট দিতেন। সেটাই হার্ডকভারের জন্মসূত্র। সব দেশেই। ফলে পেপারব্যাকের সাথে কৌলিন্যের একটা পুরানো ‘আড়ি’ বাই-ডিফল্ট তৈরী হয়ে আছে। বাংলা বইয়ের ক্ষেত্রে তো বটেই। যদিও ঐতিহ্যের ইতিহাস বলছে, একশো বছর আগেও কলকাতার বিভিন্ন প্রকাশনার পাশাপাশি বিশ্বভারতী থেকেও পেপারব্যাকে বই বেরিয়েছে। কিন্তু তারপর ধীরে ধীরে সেসব কৌলিন্যের গ্রাসে চলে গিয়ে বিধিবদ্ধ

আরও পড়ুন

ছায়া থেকে অন্ধকার নামে

বিশ্বদীপ দে



একটি কবিতার বই হাতে নিলে প্রথমেই যারা তার নামটা নিয়ে মাথা ঘামায়, আমি তাদের দলে নই। বরং পাতা উলটে এলোমেলো পায়চারি করতেই ইচ্ছে যায়। পংক্তি থেকে পংক্তি, এমনকী যতিচিহ্ন অবধি ঘুরে বেড়াতে থাকি। অল্প সময় এমন করতে করতেই আমি বুঝে যাই, এই বইয়ের সঙ্গে আমার পটবে কিনা। ঠিক যেভাবে কোনও মানুষের সঙ্গে সদ্য পরিচয় হলে করি। দু-চার কথায় তার ভিতর জমে থাকা যাপনকে নেড়ে ঘেঁটে তাকে বুঝতে চেষ্টা করি।

‘যা কিছু গোপন, সেই দিকে/ ত্

আরও পড়ুন

চলতি হাওয়ার পঙক্তি

কিঙ্কিণী বন্দ্যোপাধ্যায়


অনেকের মুখেই শুনি 'ভালো কবি', 'বড় কবি', কিংবা 'ভালো কবিতা', 'কালজয়ী কবিতা' – আমি জানিনা একটা কবিতার মধ্যে কোন কোন গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকলে তাকে এইসব শ্রেণীর মধ্যে গণ্য করা হবে। আমি শুধু জানি, ভালো কবিতা হল সেইসব কবিতা যা পড়লে কান্না পায়, আর সব কবিতা কাঁদাতে পারে না। সরোজ দরবারের 'চলতি হাওয়ার পংক্তি'-তে সেইরকমই কয়েকটি বিরল কবিতা রয়েছে।
বইতে 'বেঁচে থাকার সেলফি', 'চলতি হাওয়ার পংক্তি', 'মা-কে', 'একপশলা দুপশলা'' ইত্যাদি গুচ্ছ কবিতার সঙ্গে বেশ কয়েকটি একক কবিতাও র

আরও পড়ুন

লাইটহাউস আর অনেক রঙের আলো

আবেশ কুমার দাস


অশোকনগর থেকে প্রকাশিত ‘বাতিঘর’ (সম্পাদনাঃ রাতুল চন্দরায়, অনির্বাণ দাস) সাময়িকীর সাম্প্রতিক বইমেলা ২০১৫ সংখ্যাটি হাতে নিলে প্রথমেই চোখে পড়বে রাতুল চন্দরায়কৃত প্রচ্ছদটি। সাদা প্রচ্ছদপটে একগুচ্ছ মৌলিক রঙের চলমান কোলাজ। এদিক ওদিক ছিটকে যেতে যেতে সেই তরল রঙেরা যেন আচমকা কেলাসিত হয়ে উঠেছে। পাতা উল্টে পত্রিকায় প্রকাশিত গল্প, কবিতা এবং গদ্যগুলিতে চোখ বুলোতে গেলেই এরপর মনোজ্ঞ পাঠকের নজরে পড়ে যাবে প্রচ্ছদের সেই রংবাহারই যেন ফল্গুর মতো অন্তর্লীনা হয়েছ

আরও পড়ুন

অধিবাস্তবের ইলিউশনঃ বাস্তবতার মৃগয়ায়

আবেশ কুমার দাস


“এই গোলাপি দেওয়ালটা আসলে একটা বিছানা—শুভ ভাবতে আরম্ভ করল—আর আমার পা যেখানে আটকে আছে সেটা মাটি নয়, হাওয়া... টলতে টলতে শুভ সোফাটাইয় এসে বসল। আহ! এটা ইলিউশান নয়। এটা জীবন। এই সমকৌণিক সোফাটাই আসলে জীবন।”

বাংলা কথাসাহিত্যে স্বপ্নদৃশ্য বিনির্মাণের ঐতিহ্য সেই ‘দুর্গেশনন্দিনী’-র আমল থেকেই। কিন্তু জ্যামিতিক বোধের সম্পৃক্তিতে তাকে এমন সুতীব্র পরাবাস্তবিক উচ্চতায় কৃষ্ণেন্দু দত্তর আগে নিয়ে যেতে পেরেছেন খুব অল্প গল্পকারই। ফ্রয়েডের স্বপ্নতাত্ত্বিক গ

আরও পড়ুন

কয়েকটি উত্তরাধিকার ও অভীকের গল্পেরা

আবেশ কুমার দাস


বাংলায় আর সেভাবে হাসির গল্প লেখা হচ্ছে না বলে যাঁরা হাহুতাশ করেন তাঁদের সঙ্গে অনেকাংশে একমত হয়েও একটি কথা বলতেই হয়। ভাষার কারিকুরিতে অনায়াস হাস্যরস উদ্রেকের যে মৌলিক শৈলীটি একদা গড়ে তুলেছিলেন শিবরাম তার দিন ফুরিয়েছে। সাহিত্যের অন্যান্য ধারার মতোই রসসাহিত্যও কোনও উৎকেন্দ্রিক বায়ুভূত পদার্থ নয়। জাতীয় জীবনের বাস্তবতা থেকেই হাসির অনুষঙ্গ উঠে আসে সেই জাতির সৃষ্ট সাহিত্যের পাতায়। শিবরাম চক্রবর্তী আর বিমল করের রসসাহিত্যের চরিত্রগত বৈশিষ্ট্যে ফার

আরও পড়ুন

রাহুকেতু

অভীক মুখোপাধ্যায়

হাজার শাল পিয়ালের জঙ্গলে দেখা একটা বট গাছ, জানি শুনলে মনে হবে হাজার দেখা বাস্তবের মাঝে একটা অদেখা অবাস্তব; ঠিক এরকম আবহাওয়া গোটা উপন্যাস জুড়ে, থুড়ি নিরুপন্যাস জুড়ে, ‘রাহুকেতু’, লেখক মলয় রায়চৌধুরী, হাংরি কিংবদন্তি।
গল্প যাকে নিয়ে সেই কেন্দ্রীয় চরিত্র রাহু নামের অবাস্তব একটি গ্রহের নামে হলেও তার গতিপথ খুব অদ্ভুত ভাবে বাস্তব। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লেখা নিয়ে এগিয়েছে এক লেখকের জীবন – যৌবন।
লেখার পরতে পরতে বাস্তবের পেচ্ছাপের ঝাঁঝালো গন্ধ, গা গুলিয়ে উঠ

আরও পড়ুন

"প্রোফেসর শঙ্কুর শেষ ডায়রি"- একটি আলোচনা

অভীক দত্ত


“শঙ্কু জনপ্রিয়তা তোমার বন্ধু।জনপ্রিয়তাই তোমার শত্রু!”
এ লেখার শুরুতে এক বৃদ্ধ গুহামানব স্বপ্নে এই কথাটি বলছে প্রোফেসর ( লেখার শুরুতেই লেখক জানিয়েছেন সত্যজিৎ রায় প্রোফেসর বানান লিখতেন, তাই তিনি সেটাই রেখেছেন এই বইতে) শঙ্কুকে, যে কথাটি বারবার ভাবাচ্ছে তাকে। আদতে এই বাক্যটিই যেন প্রোফেসর শঙ্কুকে ঘিরে আবর্তিত হওয়া বিভিন্ন বিতর্ককে ব্যাখ্যা করে। বইটির প্রথম পর্বে প্রোফেসর শঙ্কুকে সম্পূর্ণ নতুন ভাবে আবিস্কার করবেন পাঠক,যেটার ভয় থাকে বারবার সেই ত

আরও পড়ুন

রবি-বাওয়াল

বারীন ঘোষাল


সংকলনটা পড়ে খুব মজা পেলাম অভীক। চেটেপুটে পড়েছি। এরকম বাওয়ালির প্রয়োজন চিরকালই ফিল এবং উপভোগ করেছে বাঙালি পাঠকদের একাংশ। রবীন্দ্রনাথের জীবদ্দশায় তাঁকে নাস্তানাবুদ করেছিল সেসব খিল্লী। তিনি মোটেই পপুলার ছিলেন না। পথের পাঁচালি ইওরোপে পুরস্কার পাবার পরে বাঙালি দর্শক জেগে উঠেছিল। রবীন্দ্রনাথ নোবেল পাবার পরও সেই জাগরণ হয়নি। পঞ্চাশের দশকে সরকারি নেকনজর আর প্রতিষ্ঠানের ব্যবসার কল্যাণে তাঁর জনপ্রিয়তার উত্থান আর পাহারাদারীর রমরমা শুরু হয়। তোমাদের

আরও পড়ুন

পুরোনো বোতল, নতুন মদ...

কৌশিক মজুমদার

এইমাত্র শেষ ক'রে উঠলাম অ্যাসটেরিক্সের নতুন অভিযান "Asterix and the Pictes "। গত বছর অক্টোবরে প্রকাশিত হওয়া বইটি হাতে পেতে বেশ কয়েক মাস সময় লেগে গেলেও পড়া হ'য়ে বেশ একটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া হচ্ছে। ১৯৭৭ এ গোচিনির মৃত্যুর প'র এতদিন ইউদেরজো একাই আমাদের ব'লে গেছেন নাম না জানা সেই পা"গল" গ্রামের গল্প। কিন্তু যতই নষ্টালজিক হই না কেন, স্বীকার করতে বাধা নেই, শেষের দিকে জমেনি একেবারেই। হতাশ ইউদেরজো ঠিক করেছিলেন "Asterix and the Falling Sky" দিয়েই শেষ হবে অ্যাসটেরিক্সের অভিযান। কিন্তু হাল

আরও পড়ুন

নিশাতুর স্বপ্নজাল– কবিতার পরীক্ষাগার

সংহিতা মুখোপাধ্যায়

দুই কবি শ্রী পবিত্র আচার্য্য এবং শ্রী সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়ের কবিতার সম্মিলিত সংগ্রহ “নিশাতুর স্বপ্নজাল”। সংকলনের নামটি দুই কবির দুটি কবিতার নাম জুড়ে রচিত - পবিত্র আচার্য্যের কবিতা “নির্ঘুমের নিশাতুর স্বপ্ন” এবং সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা “স্বপ্নজাল”। বইটিও দুইভাগে গ্রন্থিত। প্রথমে কবি পবিত্র আচার্য্যের কবিতা এবং তারপর কবি সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা। বিষয়ে, বক্তব্যে দুই কবির কবিতাতে বেশ মিল পাওয়া যায়, কিন্তু প্রকরণে কবিতাগুলি বেশ আলাদা। আবা

আরও পড়ুন

মতি নন্দীর বিজলীবালার মুক্তি

সৌমি চৌধুরী

-কি বই?
-বিজলীবালার মুক্তি।
-দেখি দেখি... ও মতি নন্দী... স্টপার লিখেছে না?
আর কেউ- কোনি ও লিখেছেন।
-এটাও কি খেলা নিয়ে না কি?
-না বোধ হয়... মলাট দেখে তো সেরকমটা মনে হল না।
-মলাটটা গনেশ পাইন চিত্রিত!
-বইটা কেনার ওটাও একটা কারণ...
-ভেতরে দেখছি ২টো গল্প!
-তাই নাকি! আকার দেখে আমি তো ভাবলাম একটাই উপন্যাস...ও তার মানে ২টো বড়গল্প...
ওপাশ থেকে-পড়েছেন নাকি? কেমন?
অন্য ক্রেতা-২টোই ভাল...তবে কেন যে বইটার নাম শুধু ১ম গল্পটার নামে...এই প্রথম খেলা ছাড়া একদম অন্যরকম স

আরও পড়ুন

প্রসঙ্গ : বাঙালি নারীর কবিতা-সংগ্রহ

ঋতম্‌ মুখোপাধ্যায়

বিগত ছ’শো বছরের দুশো সত্তর জন কবির কবিতা সংকলনের নাম ‘দামিনী’। পৃষ্ঠাসংখ্যা সাড়ে পাঁচশোর কিছু বেশি। মনে হতেই পারে আবার একটা কবিতা-সংকলন কেন? এ-জাতীয় অভিধানপ্রতিম কবিতা-সংকলন প্রকাশ এবং কবিদের অর্থেই তার মুদ্রণ খরচ সামাল দেওয়ার ব্যবস্থা একালে প্রায়শই দেখা যাচ্ছে। তাতে কিছু ভালো কবিতার পাশাপাশি অর্থমূল্যে মুখচেনাদের কবিতাকে প্রতিনিধিস্থানীয় বলে চালিয়ে দেওয়ার প্রয়াস ঘটে থাকে। সেদিক থেকে বিচার করতে গেলে ‘দামিনী’ সু-সম্পাদিত সংকলন। তবে এর কবিরা লিঙ

আরও পড়ুন

অতল মনের ঘাতক

অভীক দত্ত

মন এমন একটা বস্তু যেটার তল পাওয়া ভার। জীব-বিজ্ঞানী থেকে মনোবিজ্ঞানী কেউই পারেন নি এর জটিল অভিসন্ধির ফাঁক ফোঁকর গুলি খুঁজে বার করতে। “মায়াকাঁচ” এ তমাল বন্দ্যোপাধ্যায় মনোবিশ্লেষণ করার ব্যাপারে তাঁর দক্ষতা প্রমাণ করেছিলেন। “ঘাতক” তাঁকে যে এ ব্যাপারে আরও প্রতিষ্ঠা দিল সে ব্যাপারে নিঃসন্দেহ হওয়া যায়।
বইয়ের ব্যাক কভারে একটা ব্রিফিং দেওয়া আছে বইটি সম্পর্কে সেটা হুবহু তুলে দিলাম
“অরুণাভর অকালমৃত্যুতে বৈধব্য পাওয়া অহনার শোকস্তব্ধ জীবনে দীপ্তেশ নি

আরও পড়ুন

ভেসে যাচ্ছে ভাঙা কথা

অরিত্র সান্যাল

ঘুম নামের পাহাড়
আষিক
প্রকাশকঃ সৃষ্টিসুখ
মূল্যঃ ৭০ টাকা

প্রথমে ভাবা গিয়েছিল প্রস্তাবনাটি নিদ্রাহীনতার। ইনসমনিয়ার। সত্যি তো, না থাকলে ঘুমকে তো বুকে চেপে বসা এক পাহাড়ই মনে হয়। অতিশয় দুটো চোখ। স্ফীত তলদেশে পড়ে গেছে লন্ঠনের অলীক গ্রামীণ কালি। তার মধ্যে হয়তো চাপা আছে অকথ্য শ্যামাপোকা পুড়ে যাওয়ার অপরাধবোধ। নিদ্রাহীনতার রক্তক্ষরণে মনের কোনও না কোনও তন্তু ভিজে যাচ্ছে। “হাওয়ায় ভাসছে কিছু/ ছোটো হয়ে আসা ঘরবাড়ি/ জুড়ে থাকা রাস্তা

আরও পড়ুন